বিরক্তিকর খুসখুসে কাশি সারানোর ঘরোয়া ৩টি স্টেপ ,শিখে রাখুন রোগীরা

শীতে কমবেশি সবাই সর্দি-কাশির সমস্যায় ভোগেন। জ্বর-সর্দি যদিও দ্রুত সেরে যায়, তবে কাশি সহজে সারে না। এছাড়া কোভিড-১৯ এর অন্যতম লক্ষণগুলোর মধ্যে কাশি অন্যতম।

সাধারণত কাশি দু’ধরনের হয়। উত্পাদনহীন ও উত্পাদনশীল। উত্পাদনহীন কাশি সাধারণত শুকনো হয় ও এর সঙ্গে কফ বা শ্লেষ্মা বের হয় না। অন্যদিকে উত্পাদনশীল কাশি ফুসফুস পরিষ্কারের জন্য শ্লেষ্মা বা কফ উত্পাদন করে।

খুসখুসে কাশি ফ্লু বা সর্দির কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে থাকে। যা বেশ কষ্টকর। ধোঁয়া, ধূলিকণা, দূষণ, পরাগ ও অন্যান্য অ্যালার্জির মতো পরিবেশগত কারণে খুশখুশে কাশি হতে পারে।

এছাড়া হাঁপানি, নিউমোনিয়া, সাইনোসাইটিস, যক্ষ্মা, গ্যাস্ট্রো-এসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি) সহ ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ ইত্যাদি শুকনো কাশি হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।

আপনি যদি এ সময় খুসখুসে বা শুষ্ক কাশিতে ভোগেন, তাহলে প্রথমদিকে ঘরোয়া কয়েকটি উপায় মেনে তা সারিয়ে তোলার চেষ্টা করতে পারেন। এজন্য ভরসা রাখুন ভেষজ ৩ উপকরণে-

আদা

আদায় থাকে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও বিভিন্ন প্রদাহ কমায়।

শুকনো কাশি দূর করতে নিয়মিত পান করতে পারেন আদা চা। এছাড়া আধা চা চামচ আদার গুঁড়া এক কাপ গরম জলে মিশিয়ে দৈনিক অন্তত ৩ বার পান করতে পারেন।

গরম জলের ভাঁপ নিন

খুসখুসে কাশির সমস্যা কমাতে নিয়মিত গরম জলের নিতে পারেন। ফলে গলার শুকনোভাব কমবে পাশিপাশি গলাব্যথা ও কাশির তীব্রতাও কমবে।
গরম জলে সামান্য টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ভাঁপ নিলে আরও ভালো ফল পাবেন। প্রতিবার অন্তত পাঁচ মিনিটের জন্য ভাঁপ নিন। এছাড়া স্টিম বাথও নিতে পারেন।

লবণ জল গার্গল

গলাব্যথা কিংবা কাশির সমস্যা সমাধানে লবণ জলের গার্গল করারও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। লবণাক্ত জলে গ্রহণের ফলে গলার খুসখুসে ভাব কমে আসে। এজন্য এক গ্লাস গরম জলে আধা টেবিল চামচ লবণ মিশিয়ে গার্গল করুন।

ঘরোয়া প্রতিকার গ্রহণের পরেও যদি আপনার কাশি না কমে থাকে; তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষত যদি সর্দির পাশাপাশি কাশি এবং উচ্চমাত্রায় জ্বর হয়ে থাকে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy