অনেকেই হয়তো পরিকল্পনা করে রেখেছেন ২০২৩ সালে আর সিঙ্গেল থাকবেন না এবার মিঙ্গেল হবেন। আপনি যদি তাদের একজন হয়ে থাকেন আপনাকে অগ্রিম অভিনন্দন। আপনাকে একটি বিষয় বলার আছে, বিয়ে পছন্দসই ঋতুতেই করুন। তবে ক্যালেন্ডার দেখে বিয়ের দিনটির সঙ্গে পূর্ণিমার যোগ মিলিয়ে নিতে পারেন। মধুচন্দ্রিমা কথাটার সঙ্গে পূর্ণিমার আবহাওয়া, আবেদন একেবারে মিলেমিশে ক্ষীর।
সুতরাং বিয়ের তারিখ ঠিক করতে পারেন, যেন মধুচন্দ্রিমাটা কাটে পূর্ণিমায়। আরো যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি, জেনে নিন।
মানসিক চাপ একদম নেবেন না। বিয়ে মানেই ভয়-টেনশন-উত্তেজনার মিলমিশে অদ্ভুত একটা পরিস্থিতি। কিন্তু এই সময়ে অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিলে আপনারই ক্ষতি। প্রথমত, চোখ মুখ ক্লান্ত দেখাবে, সেই সঙ্গে কোনো কিছুই গুছিয়ে উঠতে পারবেন না। তাই মাথা ঠান্ডা রেখে প্ল্যানমাফিক কাজ করুন।
>>লোকেশন ঠিক করে নিতে হবে। আজকাল অনুষ্ঠান বাড়ি বা হল পাওয়া খুবই সমস্যার। তাই বিয়ের দিন ঠিক হলেই আগে হলের খোঁজখবর শুরু করুন। প্রায়োরিটি অনুযায়ী কিছু হল রাখুন তালিকায়। এবার হাতের সামনে পছন্দমতো যা পাবেন তাই বুক করে নিন। হল বুকিং এর ক্ষেত্রে কিন্তু একেবারেই দেরি করবেন না। আজকাল বাড়িতেই অনুষ্ঠান হয়ে যাবে এরকম অপশন প্রায় কারোর হাতে থাকে না। তাই প্রাধান্য দিন হল বুকিং-এ।
>> বিয়ের বাজেট ঠিক করুন- বিয়েবাড়ির মূল হল বাজেট। আপনি ঠিক কোন বাজেটের মধ্যে অনুষ্ঠান সারতে চান তা ঠিক কুন। যদিও খরচ সব সময় বাজেটের থেকে বেশিই হয়, কিন্তু চেষ্টা করুন তা কম রাখতে। কোন খাতে কত খরচ করতে চান তা লিখে নিন। বিয়ের জন্য কতটা খরচ করতে পারবেন তা দেখুন, আপনার সঞ্চয় কতখানি আছে তাও দেখে রাখুন। সব খরচা বিয়েতেই করে ফেলবেন না। আর অপ্রয়োজনে খরচা নয়।
>> প্ল্যান বি তৈরি রাখুন- সব সময় যে প্ল্যান এ-তেই সফল হবেন এমন কিন্তু নয়। তাই তৈরি রাখুন প্ল্যান বি। প্রয়োজন পড়লে যেন ভাবতে না হয় যে সেই মুহূর্তে কোথায় যাবেন, কি করবেন। এ ব্যাপারে আত্মীয়, বন্ধুদের সাহায্য নিন। বিভিন্ন কাজে তাদের রাখুন। সব দায়িত্ব একার কাঁধে নেবেন না। এতে কিন্তু চাপ বাড়বে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় রিসোর্স এবং টেকনোলজিরও ব্যবহার করুন প্রয়োজন অনুসারে।
>>বিয়ের ডেকোরেশন কেমন হবে, কেমন ফুল ব্যবহার করবেন তা নিয়ে কথা বলে নিন। প্রয়োজনে আগে থেকেই থিম তৈরি করে রাখুন। তাহলে সমস্যা কম হবে। ডেকোরেশন অনুসারে আপনার সাজ ঠিক করে নিন।