প্রতিনিয়ত শ্বাসকষ্টে ভুগছেন? হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক লক্ষণ ,দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শনিন

হার্টের কাজ করার জন্য অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রয়োজন। যদি প্লাক (যা চর্বি, কোলেস্টেরল ও অন্যান্য পদার্থের সমন্বয়ে থাকে) হৃদপিণ্ডে রক্ত বহনকারী ধমনীতে তৈরি হয়, তাহলে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর হৃদপিণ্ডে দীর্ঘক্ষণ রক্তপ্রবাহ না হলে হঠাৎ করেই হতে পারে হার্ট অ্যাটাক। এ সময় শরীরে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো শ্বাসকষ্ট।

ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তপ্রবাহ না হওয়ায় রোগী শুধু বুকে ব্যথাই নয় মাথা ঘোরা, বুকে আঁটসাঁট ভাব ও শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ অনুভব করেন। এ সময় লক্ষণ টের পেলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে রোগীকে নিয়ে গেলে তিনি বেঁচে যেতে পারেন।

সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকের ৪ লক্ষণ জেনে রাখুন-

বুকে ব্যথা, চাপ, পূর্ণতা, বা অস্বস্তি

শরীরের বিভিন্ন স্থানে অস্বস্তি

হার্ট অ্যাটাক শুধু হৃদয়কে প্রভাবিত করে না, হৃদযন্ত্রে কোনো সমস্যা হলো তার প্রভাব পুরো শরীরেই পড়ে। এক্ষেত্রে শরীরের বিভিন্ন স্থান যেমন- ঘাড়, চোয়াল, পেট কিংবা ঘাড়ে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন।

শ্বাসকষ্ট ও মাথা ঘোরা

সামান্য হাঁটাহাঁটি করলেও কি আপনি হাঁপিয়ে উঠছেন? এটিও কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের আগাম লক্ষণ হতে পারে। এর কারণ হতে পারে আপনার হৃদয় শরীরের বাকি অংশে রক্ত পাম্প করতে সক্ষম নয়। শ্বাসকষ্ট বুকে ব্যথার সঙ্গে বা হঠাৎ করেই হতে পারে। এটিও কিন্তু একটি নীরব হার্ট অ্যাটাকের একটি সাধারণ লক্ষণ।

বমি বমি ভাব ও ঠান্ডা ঘাম

ঠান্ডা ঘামে ঘুম থেকে ওঠা, বমি বমি ভাব ও বমি ফ্লুর লক্ষণ হতে পারে। তবে এগুলো কিন্তু নীরব হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণও হতে পারে।

হার্ট অ্যাটাকের নীরব লক্ষণগুলো কখনো উপেক্ষা করবেন না। এ বিষয়ে সবারই সচেতন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধের সর্বোত্তম উপায় হলো হার্ট পরীক্ষা করা। এর পাশাপাশি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে হৃদযন্ত্রও সুস্থ রাখতে পারবেন।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy