মাইক্রোওয়েভে প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করেন? হতে পারে বড় রোগ, জানুন
প্লাস্টিক ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে একাধিক। ভুলেও মাইক্রোভেনে ব্যবহার করবেন না। তাহলে মারাত্মক ক্ষতি হবে শরীরের।
খাবার বেঁচে গেলে আমরা সাধারণত তা মাইক্রোয়েভেই তা গরম করে নেই। তবে ভুলেও খাবার গরম করার জন্য মাইক্রোওয়েভে প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করবেন না। একই কথা প্রযোজ্য মাইক্রোভেনে কিছু রান্না করার সময়তেও। কাঁচ বা বোরেসিলের বাসন ব্যবহার করুন। প্লাস্টিক থেকে নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে শরীরের, বিশেষ করে মহিলাদের।
প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম পিসিওএস বা পিসিওডি-র অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়। আজকাল বেশিরভাগ মহিলা এই রোগের শিকার। পিসিওএসের প্যাথোফিজিওলজিকাল কারণ জানা না গেলেও, বেশ কিছু কারণ দায়ী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। গত দুই দশকে প্লাস্টিকের ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে বিসফেনল এ (Bisphenol A), যা পলিকার্বোনেট প্লাস্টিকের সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, এটি পিসিওডিকে ট্রিগার করে।
আজকাল মহিলাদের মধ্যে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম বা PCOS দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১০ জনের মধ্যে ১ জন এই রোগের শিকার। এটি হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণেও হতে পারে। এই সিন্ড্রোমের ফলে অনিয়মিত পিরিয়ড, ব্রণ, চুল পড়া এবং শরীরের অবাঞ্ছিত লোমের মতো নানা সমস্যা দেখা যায়। ডাক্তার এবং পুষ্টিবিদরা এটিকে লাইফস্টাইল ডিসঅর্ডার হিসেবে দেখেন।
তাই মহিলাদের উচিত দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর। বিশেষ করে টিফিন বক্স, জলের বোতল, খাবারের প্লেট। গরম খাবার কোনওাবেই প্লাস্টিকের সংস্পর্শে আনবেন না। কারণ এতে বিসফেনল-এ শরীরে প্রবেশ করে বেশি। PCOS-এর উপসর্গকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
কী করবেন? প্লাস্টিকের পরিবর্তে টিনের ফয়েল ব্যবহার করুন। বাঁশ বা মাটির পাত্রও ব্যবহার করতে পারেন। সঙ্গে প্লাস্টিকের জলের বোতলের বদলে স্টেইনলেস স্টিল বা তামার জলের বোতল ব্যবহার করুন। তামার জলের বোতল PCOS প্রতিরোধের পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারি।