দেরিতে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই সকালের খাবার করেন না। বদহজমের একটি বড় কারণ এটি। বিশেষজ্ঞরা সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে খাবার খেয়ে ফেলতে বলেন। না হয় বদহজম হয়, যার ফলে দেখা দেয় গলা জ্বলা, চোঁয়া ঢেকুর, বুকে পিঠে ব্যথা, মাথায় যন্ত্রণা ইত্যাদি স্বাস্থ্য সমস্যা।
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস হালকা গরম জল খেতে পারেন। কাঁচা জোয়ান চিবিয়েও জল পান করতে পারেন। যত বেশি সময় না খেয়ে থাকবেন, বদহজমের মাত্রা তত বেড়ে যাবে।
বদহজম হলে কী খাবেন না
বদহজম হলে খাবার তালিকা থেকে ভাজাভুজি বাদ দিন। সে সঙ্গে প্যাকেটজাত খাবার, ময়দা ও দুগ্ধজাত দ্রব্য থেকে দূরে থাকুন।
বদহজমের মধ্যে কোথাও দাওয়াতে গেলে একটু বুঝে শুনে খাবার খাবেন। সালাদ জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। তাই বলে যে মাছ, মাংস একদমই খাবেন না তা নয়। ঝোল বাদ দিয়ে মাছ বা মাংস খান, তবে তা সামান্য পরিমাণে।
দাওয়াত থেকে ফিরে অবশ্যই প্রচুর জল পান করুন। পরপর কয়েকদিন নিমন্ত্রণ থাকলে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। পেট ঠান্ডা রাখতে খেতে পারেন ডাবের জল। এছাড়াও কিছু উপাদান রয়েছে যা বদহজম থেকে মুক্তি দেয় সহজেই-
পান্তা ভাত- বাঙালির অন্যতম পছন্দের খাবার পান্তা ভাত। এটিই যে বদহজম থেকে মুক্তি মেলায় তা হয়তো অনেকেই জানেন না। রাতের বেলায় রান্না করা ভাতের দুই চামচ জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ওই জল আর ভাত খেয়ে নিন। এটি হজমের ক্ষমতা বাড়াবে।
জোয়ানের জল- জোয়ান সিদ্ধ করে সেই জল খেয়ে ফেললে বদহজমের সমস্যা এড়ানো যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠেই এই জল খেয়ে নিন।
জিরা জল- জোয়ানের মতো জিরাও হজম ক্ষমতা বাড়ায়। সকালের খাবার করার পর জিরা জল পান করতে পারেন।
পেঁপে পাতা- হজম ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর পেঁপে পাতা। দুটি পেঁপে পাতা এক গ্লাস জলে সেদ্ধ করুন। জল শুকিয়ে অর্ধেক হলে নামিয়ে খেয়ে নিন।
বদহজম হলেই যে সব খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে তা ঠিক নয়। তবে এমনটা হলে বুঝে শুনে খাবার গ্রহণ করুন। বদহজমের সমস্যা হলে অবশ্যই জল গ্রহণের মাত্রা বাড়াবেন।bs