কেন্দ্রীয় সরকার কোনওভাবেই তামাকজাত পণ্যের দাম কমতে দেবে না—লোকসভায় এই কড়া বার্তা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। কেন্দ্রীয় আবগারি (সংশোধনী) বিল, ২০২৫-এর আলোচনার সময় তিনি ঘোষণা করেন, জিএসটি কমপেনসেশন সেস শেষ হয়ে গেলেই সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের উপর পুরনো আবগারি শুল্ক ফিরিয়ে আনা হবে।
❌ “আমরা চাই না যে সিগারেট সস্তা হয়ে যাক”:
অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, জিএসটি কমপেনসেশন সেস উঠে গেলে সিগারেটের উপর করের চাপ স্বভাবতই কমে যাবে। জিএসটির অধীনে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কর বসতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র জিএসটি কার্যকর থাকলে সিগারেট তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই আশঙ্কা থেকেই কেন্দ্র পুনরায় আবগারি শুল্ক ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে নির্মলা সীতারামন সরাসরি বলেন:
“আমরা চাই না যে সিগারেট সস্তা হয়ে যাক।”
📌 স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগে কর বৃদ্ধি:
অর্থমন্ত্রী জানান, জিএসটি চালু হওয়ার আগেও তামাকজাত পণ্যের উপর আলাদা ট্যাক্স বসানো হতো এবং ধূমপান কমাতে তা প্রতি বছর বাড়ানো হতো। জিএসটি আসার পর সেভাবে দাম বাড়েনি। তাই স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্র সেস শেষ হওয়ার পর আগের আবগারি শুল্ক ফিরিয়ে আনছে। নির্মলা সীতারামনের বক্তব্য:
“এটা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়। তাই করের কাঠামোও আলাদা হওয়া উচিত, যাতে মানুষের খারাপ অভ্যাস না হয়ে যায়।”
নতুন বিলে স্পষ্ট প্রস্তাব রয়েছে যে, সিগারেট, পান মশলা থেকে শুরু করে নিকোটিন মেশানো সমস্ত ‘সিন গুডসের’ উপর আবগারি শুল্ক বাড়ানো হবে। আগামী বছরেই জিএসটি কমপেনসেশন সেস পুরোপুরি শেষ হতে চলেছে। তাই এই পণ্যের দাম যাতে কোনো অবস্থাতেই না কমে, তা নিশ্চিত করতেই কড়া কর কাঠামোর পথে হাঁটছে কেন্দ্র।