কেরলের রাজধানী তিরুবনন্তপুরম পুরসভায় ইতিহাস সৃষ্টি করল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের এই কেন্দ্রে বামেদের ৪৫ বছরের পুরনো দূর্গ গুঁড়িয়ে দিয়ে জয় ছিনিয়ে নিল গেরুয়া শিবির। এই ফলাফলে কেরলের আঞ্চলিক রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল।
গত ৯ ও ১১ ডিসেম্বর দু’দফায় কেরলে পুর এবং পঞ্চায়েত নির্বাচন আয়োজিত হয়েছিল। শনিবার ফলাফল ঘোষণার দিন দেখা গেল, তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনের মোট ১০১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫১টি ওয়ার্ডে জয় নিশ্চিত করেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। অন্যদিকে, সিপিএম নিয়ন্ত্রিত এলডিএফ জোট ২৯টি ওয়ার্ডে এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট ১৯টি ওয়ার্ডে জয় পেয়েছে। দু’জন নির্দলীয় প্রার্থী দু’টি ওয়ার্ডে জিতেছেন।
এই তাক লাগানো সাফল্যের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তিরুবনন্তপুরমের বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি এই আঞ্চলিক নির্বাচনে দিবারাত্রি পরিশ্রম করা কার্যকর্তাদেরও শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, “ওই রাজ্যের উন্নয়ন ও বিকাশ নিয়ে মানুষের মনে যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, তা আমাদের দলই পূরণ করতে পারবে।”
কার্যকর্তাদের উদ্দেশে মোদী বলেন, “আপনারা এতদিন যে পরিশ্রম করলেন, আজ সেগুলির স্মৃতিচারণের দিন। আমি প্রতিটি বিজেপি কার্যকর্তাকে শুভেচ্ছা জানাই। এই সাফল্য সেই পরিশ্রমেরই ফলাফল।”
প্রসঙ্গত, কেরলের মোট ২৫ হাজার আসনের ১১৯৯টি পুরসভা ও ত্রিস্তর পঞ্চায়েতে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর মধ্যে ৬টি পুরনিগম, ৮৬টি পুরসভা, ১৪টি জেলা পরিষদ, ১৫২টি ব্লক পঞ্চায়েত এবং ৯৪১টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে।