৩ জেলায় ত্রাস সৃষ্টিকারী ‘মোটা’ কে? ১৬টি মামলার মোস্ট ওয়ান্টেড পিএলএফআই কমান্ডার জালে!

ঝাড়খণ্ডে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে এককালীন বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। গুমলা জেলায় অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PLFI)-এর জোনাল কমান্ডার বিশ্রাম কোঙ্গাড়ি ওরফে মোতা ওরফে সুকুরাসহ মোট চারজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত এই মোতার বিরুদ্ধে গুমলা, খুন্তি এবং সিমদেগা—এই তিনটি জেলাজুড়ে হত্যা, extortion ও নাশকতা সহ মোট ১৬টি গুরুতর মামলা নথিভুক্ত রয়েছে।

গুমলার পুলিশ সুপার হরিশ বিন জামা জানান, গত ২২ অক্টোবর পুলিশের কাছে গোপন গোয়েন্দা তথ্য আসে যে, পিএলএফআই-এর বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সদস্য কামদারা থানা এলাকার বোঙ্গাড়া গ্রামের কাছে একত্রিত হয়ে একটি বড় ধরনের অপরাধ বা নাশকতার ছক কষছে। খবরটি পাওয়ামাত্রই দ্রুত পদক্ষেপ করে পুলিশ প্রশাসন।

বাসিয়া মহকুমা পুলিশ অফিসার শিব শঙ্কর মারান্ডির নেতৃত্বে কামদারা ও বাসিয়া থানার পুলিশকে নিয়ে একটি বিশেষ যৌথ অভিযানকারী দল (এসওটি) গঠন করা হয়। এরপর ওই এলাকায় ঝটিকা তল্লাশি চালিয়ে জোনাল কমান্ডার বিশ্রাম কোঙ্গাড়িসহ মোট চারজনকে হাতেনাতে পাকড়াও করে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কিছু আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, নিষিদ্ধ প্রচারপত্র এবং একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত চারজনের মধ্যে জোনাল কমান্ডার বিশ্রাম কোঙ্গাড়ি ছাড়াও রয়েছে অমর সুরিন, এটওয়া কোঙ্গাড়ি ওরফে এটওয়া মাস্টার এবং আপিত টপনো ওরফে বেন্দা। দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়খণ্ডের এই তিন জেলায় ত্রাস সৃষ্টি করা এই চক্রের জালে ধরা পড়ায় বড় ধরনের নাশকতার হাত থেকে রক্ষা পেল সাধারণ মানুষ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এদের সাথে আর কারা যুক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।