২০২৬-এর আগে বড় ভাঙন বিরোধী শিবিরে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

রাজ্য রাজনীতিতে ফের দানা বাঁধছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’ (INDIA Alliance)-র ভবিষ্যৎ ও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে এক বিস্ফোরক ও চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে বসল খোদ রাজনৈতিক মহলের চর্চায় থাকা মুখ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সরাসরি দাবি, রাজনৈতিক স্বার্থেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধীরে ধীরে ইন্ডি জোটকে ভেঙে ফেলার চক্রান্ত বা সেই পথেই এগিয়ে চলেছেন। বিরোধী শিবিরের অন্দরে যখন আসন সমঝোতা ও ঐক্য বজায় রাখা নিয়ে নানা জল্পনা চলছে, ঠিক সেই সময়ে ঋতব্রতর এই মন্তব্য জাতীয় ও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

শুধু বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই নয়, সাম্প্রতিক অতীতে বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডলের রাজনৈতিক দাপট ও তাঁর পার্টি অফিস ভাঙচুর বা দখল হওয়া সংক্রান্ত বিতর্কিত ঘটনা নিয়েও বেশ বড়সড় ও কড়া মন্তব্য করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই বিস্ফোরক মূল্যায়ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের শাসক দলের অন্দরের সমীকরণ এবং বিরোধী মহলের কৌশলকে নতুন মোড় দিতে পারে। একদিকে কেন্দ্রে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়ে জাতীয় স্তরে সমস্ত বিরোধী দলগুলিকে একসঙ্গে পাওয়ার সওয়াল করছে তৃণমূল, অন্যদিকে খোদ জোটের মধ্যেই এই ভাঙন ধরানোর অভিযোগ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

নির্বাচনী আবহ ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ঠিক প্রাক্কালে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ধরনের আক্রমণাত্মক ও খোলাখুলি মন্তব্য সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে। তৃণমূলের অন্দরের গোপন কৌশল বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে এই বিস্ফোরক বয়ান যে আগামী দিনে আরও বড় কোনো রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেবে, তা বলাই বাহুল্য। সোশ্যাল মিডিয়া ও রাজনৈতিক বৃত্তে এখন খবরের শিরোনামে রয়েছে এই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য।