১৬ সেপ্টেম্বর কি সত্যিই তৃণমূলের বড় পরীক্ষা? নির্বাচন কমিশনের শুনানি নিয়ে বিস্ফোরক দাবি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তরজা তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ শুনানি, জোড়াফুল শিবিরের প্রতীক নিয়ে চলা তীব্র টানাপোড়েন এবং আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাসঙ্গিক নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ—এই সমস্ত সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা রাজ্যের বিরোধী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের কোন্দল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত একাধিক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল শুরু হয়েছে।
সরাসরি বিস্ফোরক দাবি করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো শুনানি ডাকা হয়নি। তাঁর দাবি, যদি বিশেষ কোনো আইনি প্রয়োজন বা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তবে নির্বাচন কমিশন আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফের এই মামলার শুনানি করতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় প্রতীক ধরে রাখা, আসন্ন নির্বাচনগুলিতে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা এবং গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র মারফত হওয়া জমি দুর্নীতি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক তদন্তের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলি নিয়ে একের পর এক কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই কড়া নির্দেশিকা এবং প্রবীণ নেতার এই ধরণের মন্তব্য শাসকদলের অস্বস্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। একদিকে যখন আইনি লড়াইয়ে কোণঠাসা হওয়ার জোগাড়, ঠিক তখনই বিরোধী নেতার এই ধরনের প্রকাশ্যে মুখ খোলা এবং তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আগামী দিনে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয় এবং তৃণমূল নেতৃত্ব এই আইনি ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবিলা করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।