১৫ বছরের কম বয়সিদের ভর্তি নিলেই বাতিল লাইসেন্স! কোচিং খাতের ওপর সরকারের সবচেয়ে বড় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক

কোচিং সেন্টারগুলির অনিয়ন্ত্রিত রমরমা বাণিজ্য এবং প্রতিশ্রুতিভিত্তিক ভুয়ো প্রচার রুখতে এক অভূতপূর্ব ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। রাজ্য সরকারের উচ্চশিক্ষা দফতর প্রকাশিত ‘কর্নাটক টিউটোরিয়াল প্রতিষ্ঠান বা কোচিং সেন্টার নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৬’-এর খসড়া অনুযায়ী, দশম শ্রেণি পর্যন্ত অথবা ১৫ বছরের কম বয়সি কোনো শিক্ষার্থীকে এখন থেকে কোনো কোচিং সেন্টারে ভর্তি নেওয়া যাবে না। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নির্ধারিত এই নিয়ম অমান্য করে ক্লাস টেন অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেয়, তবে সঙ্গে সঙ্গে উক্ত কোচিং সেন্টারের সরকারি লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

সরকারি নির্দেশিকায় আরও স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, কোচিং সেন্টারগুলি কোনোভাবেই অভিভাবক বা শিক্ষার্থীদের কাছে ভালো নম্বর, উচ্চ র্যাঙ্ক বা নিশ্চিত সাফল্যের মতো কোনো লোভনীয় নিশ্চয়তা বা প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না। পাশাপাশি প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টার বেশি পঠনপাঠন চালানো যাবে না। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত পঠনপাঠনের নির্ধারিত সময়ে কোনো কোচিং ক্লাস চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ছাড়া কোনো সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বেসরকারি কোনো কোচিংয়ের সাথে যুক্ত থাকতে পারবেন না এবং কোচিং শিক্ষকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক। ২০২২ সালের প্রশ্ন ফাঁস কেলেঙ্কারিতে কোচিং সেন্টারগুলির নাম জড়িয়ে পড়ার পর এবং স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতেই এই কঠোর আইনের নির্দেশিকা পেশ করা হলো।