হাতে মাত্র একদিন! ন্যূনতম পেনশন একলাফে সোজা ৫৮,০০০ টাকা হওয়ার বিরাট সুযোগ?

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সোমবার থেকে চেন্নাইতে শুরু হতে চলেছে অষ্টম বেতন কমিশনের দু’দিনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট এবং সবচেয়ে বড় কথা—ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধি সংক্রান্ত একাধিক জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই বৈঠকে বিশদে আলোচনা করা হবে। দেশের লাখ লাখ কর্মীর আর্থিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ।
চেন্নাইতে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই দু’দিনের বৈঠকে মূল ফোকাস থাকছে কর্মীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ওপর। বর্তমানে কেন্দ্রীয় কর্মীরা বার্ষিক ৩ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট পেয়ে থাকলেও, বিভিন্ন কর্মী সংগঠনের তরফে এই হার বাড়িয়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ করার জোরালো দাবি তোলা হবে। এর পাশাপাশি সপ্তম বেতন কমিশনের ২.৫৭ শতাংশ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর এবং ন্যূনতম ১৮,০০০ টাকা বেসিক পে বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত ৪ থেকে ৭ লেভেলের কর্মীদের পেনশন পুনর্গঠন এবং পুরনো পেনশন স্কিম (OPS) বহাল রাখার দাবিও অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলবে স্টাফ ইউনিয়নগুলি।
সবথেকে বড় চমক হিসেবে শোনা যাচ্ছে, অষ্টম বেতন কমিশনের কাছে পেনশনারদের ন্যূনতম পেনশন একলাফে বাড়িয়ে মাসিক ৫৮,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রাখতে পারে কর্মী সংগঠনগুলি। ইকোনমিক টাইমসের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, পেনশন গণনার নির্ধারিত সূত্র, ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর এবং অবসরের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মীর পে-ম্যাট্রিক্সের ওপর ভিত্তি করেই এই অঙ্ক চূড়ান্ত হবে। প্রসঙ্গত, সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় লেভেল ৭-এর ক্ষেত্রে প্রারম্ভিক মূল বেতন যেখানে ৪৪,৯০০ টাকা থেকে শুরু হয়, সেখানে এই নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে জীবনযাত্রার মান অনেকটাই উন্নত হবে। পোস্টিং ও ট্রান্সফার সংক্রান্ত নানা জট কাটাতেও এই বৈঠকে বড় কোনো সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।