পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে চরম উত্তেজনা। আফগান তালিবানের দাবি, পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে এক বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক অভিযানে তারা ৫৮ জন পাক সেনাকে খতম করেছে এবং ২৫টি সীমান্ত চৌকি দখল করে নিয়েছে। যদিও পাকিস্তান সেনাবাহিনী ২৩ জন সেনা নিহতের কথা স্বীকার করে দাবি করেছে যে, পালটা লড়াইয়ে তারা ২০০-এর বেশি তালিবান ও সহযোগী জঙ্গিকে নিশ্চিহ্ন করেছে। ২০২১ সালে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকলেও, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এই সংঘর্ষ ভয়াবহ আকার নিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত আফগানিস্তানের কাবুল, খোস্ত ও জালালাবাদে পাকিস্তানের বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে। পাকিস্তানের দাবি ছিল, টিটিপি (TTP) জঙ্গিদের আস্তানা ধ্বংস করতেই এই হামলা। কিন্তু তালিবান একে ‘সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন’ এবং নিরীহ নারী-শিশুদের হত্যা বলে অভিহিত করে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। বিশ্লেষকদের মতে, একসময় ভারতে সন্ত্রাস ছড়াতে পাকিস্তান যে তালিবান ও জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে মদত দিয়েছিল, আজ তারাই ইসলামাবাদের জন্য ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলেও সীমান্তে কামানের গর্জন এখনও থামেনি।