সান ফার্মার ৫২ সপ্তাহের সর্বনিম্ন! শেয়ার বাজারে নামল ‘ফার্মা সুনামি’, জেনে নিন টরেন্ট ফার্মার কেন সীমিত ক্ষতি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধের উপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১০০% ট্যারিফ বসানোর খবরে ভারতীয় শেয়ার বাজারে ফার্মা সেক্টরে বড় ধস নেমেছে। এই ঘোষণার জেরে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ সংস্থা সান ফার্মা (Sun Pharma)।

এদিন বাজারে লেনদেনের শুরুতেই কোম্পানির শেয়ার প্রায় ৫% কমে ১,৫৪৭ টাকা, যা ছিল এর ৫২-সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তর। যদিও পরে সামান্য পুনরুদ্ধার হয়ে সকাল ১০:১৫ মিনিট নাগাদ শেয়ারটি ২.১৪% পতনে ১,৫৯২.৫০ টাকায় লেনদেন করছিল।

বায়োকন (Biocon) এবং জাইডাস লাইফসাইন্সেসও (Zydus Lifesciences) ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সরাসরি শিকার। বায়োকনের শেয়ার ৩.৩% কমে ৩৪৪ টাকায় লেনদেন করতে দেখা যায়। জাইডাস লাইফসাইন্সেসের শেয়ারেও ২.৮% এর পতন দেখা দেয়, যা ৯৯০ টাকার স্তরে নেমে আসে।

অরবিন্দের চিন্তা, রেড্ডির স্বস্তি?

অরবিন্দের (Aurobindo Pharma) শেয়ারও ২.৪% কমে ১,০৭০ টাকাতে বন্ধ হয়েছিল। আমেরিকান ব্র্যান্ডেড ওষুধের বাজারে তাদের বড় ফোকাস থাকায় ব্র্যান্ডেড পণ্য থেকে আয়ে চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তুলনামূলকভাবে, ড. রেড্ডি’স ল্যাবরেটরিজ (Dr Reddy’s Laboratories) কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখায়। জেনেরিক ওষুধের প্রধান সরবরাহকারী হওয়ায় স্বল্প মেয়াদে ট্যারিফ ছাড়ের সুবিধা পেতে পারে। তবে তাদের ব্র্যান্ডেড পোর্টফোলিও নিয়ে উদ্বেগ বজায় আছে। সকাল ১০:১৫ মিনিট পর্যন্ত শেয়ারে ০.৫২% পতন দেখা যায়।

ল্যুপিন (Lupin) এবং সিপলা (Cipla)-এর শেয়ারেও পতন জারি রয়েছে। ল্যুপিনের জেনেরিক ব্যবসা শক্তিশালী হলেও বিনিয়োগকারীরা সতর্ক। সিপলার মার্কিন বাজারে ভালো উপস্থিতি থাকলেও ব্র্যান্ডেড ও স্পেশালিটি ড্রাগসের উপর নির্ভরতার কারণে শেয়ারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

এই ঝটকার মধ্যেও টরেন্ট ফার্মা (Torrent Pharma) ছিল সবচেয়ে কম ক্ষতিগ্রস্ত। মার্কিন বাজারে অন্যান্য বড় সংস্থাগুলির তুলনায় এর এক্সপোজার কম হওয়ায়, শেয়ারে পতন সীমিত