সরকারি সহায়তায় মাশরুম চাষ, কম খরচে অধিক ফলনের গোপন সূত্র ফাঁস!

আজমগড়ের মতো এলাকায় মাশরুম চাষ এখন একটি অত্যন্ত লাভজনক এবং দ্রুত বর্ধনশীল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। কম খরচে এবং স্বল্প জায়গায় এই চাষের জন্য সরকারও এখন আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। তবে ভালো ফলনের মূল চাবিকাঠি হলো উন্নতমানের কম্পোস্ট তৈরি।
স্থানীয় সফল চাষি অজয় যাদব জানিয়েছেন, মাশরুম চাষের জন্য নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পাশাপাশি সঠিক কম্পোস্ট অপরিহার্য। কম্পোস্ট তৈরির প্রক্রিয়ায় খড়, গমের ভুসি ও জিপসাম সঠিক অনুপাতে মেশাতে হয়। প্রথমে খড় ভালোভাবে ভিজিয়ে ৬৫-৭০ শতাংশ আর্দ্রতা নিশ্চিত করতে হয়। এরপর ইউরিয়া ও ভুসি মিশিয়ে ৪-৫ ফুট উঁচুতে স্তূপ করে ঢেকে দিতে হয়।
গ্যাস নির্গত করার জন্য প্রতি ৩-৪ দিন অন্তর কম্পোস্টটি উল্টে দিতে হয়। এভাবে ৮-১০ বার উল্টানোর প্রক্রিয়ায় পঞ্চম বারে জিপসাম যোগ করলে তা মাটির মতো ঝুরঝুরে ও সুগন্ধি হয়ে ওঠে। পুরো প্রক্রিয়ায় ২২ থেকে ২৫ দিন সময় লাগে। যখন কম্পোস্টটি গাঢ় বাদামী রঙ ধারণ করে এবং অ্যামোনিয়ার গন্ধ দূর হয়, তখন তা মাশরুম উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সঠিক নিয়মে এই কম্পোস্ট তৈরি করতে পারলে উৎপাদন কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আপনিও যদি স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসায়িক সাফল্য পেতে চান, তবে এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে বাড়িতেই শুরু করতে পারেন মাশরুম চাষ।