সমুদ্রে ভারতের ‘শিকারি বাজ’! নৌবাহিনীতে এল ঘাতক সিহক হেলিকপ্টার, এবার জলেই সমাধি হবে শত্রু সাবমেরিনের

ভারত মহাসাগরে চিনের বাড়তে থাকা দাপট রুখতে এবার তুরুপের তাস নামাল ভারতীয় নৌবাহিনী। নৌসেনার ফ্রন্টলাইন পরিষেবায় অন্তর্ভুক্ত হলো আমেরিকার তৈরি অত্যাধুনিক MH-60R ‘সিহক’ (Seahawk) হেলিকপ্টার। দীর্ঘদিনের হেলিকপ্টার ঘাটতি মিটিয়ে এখন থেকে ভারতের প্রতিটি ডেস্ট্রয়ার ও ফ্রিগেট হয়ে উঠবে আরও বিধ্বংসী।

কেন এই সিহক হেলিকপ্টার শত্রুর যম?

  • সাবমেরিন শিকারি: এতে রয়েছে উন্নত ‘ডিপিং সোনার’ এবং সোনোবুই, যা জলের অনেক গভীরে লুকিয়ে থাকা শত্রু সাবমেরিন অনায়াসে খুঁজে বের করতে পারে। প্রয়োজনে এটি হালকা ওজনের টর্পেডো দিয়ে হামলা চালাতেও সক্ষম।

  • রাডার ও নজরদারি: এর শক্তিশালী রাডার এবং ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল সেন্সর সমুদ্রের বিশাল এলাকা জুড়ে নজরদারি চালাতে পারে, যা অনবোর্ড সেন্সরের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।

  • দ্বিমুখী শক্তি: কোচি (আইএনএস গরুড়) এবং গোয়া (আইএনএস হংস)—দুই উপকূলীয় ঘাঁটিতেই সিহক স্কোয়াড্রন মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে পূর্ব ও পশ্চিম দুই প্রান্তেই ভারত এখন সুরক্ষিত।

  • বিবিধ ভূমিকা: যুদ্ধ ছাড়াও এটি উদ্ধারকাজ (SAR), আহতদের স্থানান্তর এবং সমুদ্রে রসদ সরবরাহের মতো মানবিক কাজেও পারদর্শী।

২০২০ সালে স্বাক্ষরিত ২৪টি হেলিকপ্টারের চুক্তির অধিকাংশ এখন নৌবাহিনীর হাতে। এর ফলে ভারতের ফ্রন্টলাইন যুদ্ধজাহাজগুলি এখন কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠল।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy