লালবাজারে ঐতিহাসিক মুহূর্ত! আইনি জট কাটিয়ে শত শত বেকারকে চাকরির বার্তা, রাজ্য পুলিশে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

দীর্ঘ জটিল আইনি আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে অবশেষে রাজ্য পুলিশে শুরু হল বড়সড় নিয়োগ প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার কলকাতার ঐতিহ্যবাহী লালবাজার পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত একটি বিশেষ কর্মসূচিতে নবনিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টরদের হাতে সরাসরি নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন মোট ৩০৩ জন প্রার্থীর হাতে এই নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ আধিকারিকদের মানসিক বল বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজ্যে একটি পৃথক ‘আইপিএস অ্যাসোসিয়েশন’ গঠনের প্রস্তাবেও সবুজ সংকেত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আইএএস অফিসারদের নিজস্ব সংগঠন থাকলেও এ রাজ্যে আইপিএস আধিকারিকদের কোনও সুনির্দিষ্ট সংগঠন ছিল না, যা নিয়ে শীর্ষ পুলিশ মহলে দীর্ঘদিন ধরেই একটি আক্ষেপ ছিল। এদিন সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, এই সিদ্ধান্তটি কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না, তবে আধিকারিকদের সুবিধার জন্য এটি করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে রাজ্য পুলিশের ডিজিপি শীর্ষ স্তরের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরি করে জমা দেবেন। পাশাপাশি, আইপিএস এবং আইএফএস আধিকারিকদের যাবতীয় ন্যায়সঙ্গত দাবিদাওয়া সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

লালবাজারের এই অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ, এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা সহ অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরা। লালবাজারের এই ঘটনাকে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।