রাস্তায় স্টান্টবাজি আর নয়! মারুতি গাড়ির বিপজ্জনক খেলা দেখে কী বলল সোশ্যাল মিডিয়া? দেখুন ভিডিও

প্রকাশ্য রাস্তায় নিজের গাড়িকে সিনেমার স্টাইলে ব্যবহার করা এক যুবকের কপালে জুটল বিপুল অঙ্কের জরিমানা। উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডার রাস্তায় একটি মারুতি সুজুকি ব্যালেনো (Maruti Suzuki Baleno) গাড়ির স্টান্টের ভিডিও সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে, যা দেখে তাজ্জব হওয়ার জোগাড়। এই বিপজ্জনক কাণ্ড রাস্তায় উপস্থিত সাধারণ মানুষকে রীতিমতো ভয় ধরিয়ে দেয়।
কী ঘটেছিল ভাইরাল ভিডিওতে?
ভিডিওতে দেখা যায়, দ্রুত গতিতে চলতে থাকা ব্যালেনো গাড়িটি আচমকা গতি বাড়িয়ে নিমেষে ১৮০ ডিগ্রি কোণে ঘুরে যাচ্ছে! আবার কখনও অতি জোরে চলা অবস্থায় হঠাৎ গতি কমিয়ে পার্কিংয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই দুটি স্টান্টই ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘনকারী।
যদিও ভিডিওটির শেষ অংশটি অপ্রত্যাশিত মোড় নেয়। ভিডিওর শেষে নয়ডা ট্র্যাফিক পুলিশের জারি করা একটি চালানের ছবি দেখানো হয়, যেখানে বেপরোয়া এবং বিপজ্জনক গাড়ি চালানোর জন্য গাড়ির মালিককে ₹৫৭,৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পুলিশের তৎপরতা ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিক্রিয়া
ঘটনাটি এক্স (পূর্বতন ট্যুইটার) প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা হয়। ক্যাপশনে নয়ডা ট্র্যাফিক পুলিশের প্রশংসা করে লেখা হয়: “গ্রেটার নয়ডার রাস্তায় একটি ছেলে গাড়ির স্টান্ট করেছে। নয়ডা ট্র্যাফিক পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ৫৭,৫০০ টাকা জরিমানা করেছে। ভালো কাজ, নয়ডা ট্র্যাফিক পুলিশ।”
নয়ডা ট্র্যাফিক পুলিশ তাদের এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্টটি নিশ্চিত করে লিখেছে, “উক্ত অভিযোগের বিষয়টি, ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য সংশ্লিষ্ট গাড়ির বিরুদ্ধে নিয়ম অনুসারে একটি ই-চালান (৫৭,৫০০/- টাকা জরিমানা) জারি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
A guy performed stunts with his car on
the streets of Greater Noida. 🚗💨
Noida Traffic Police took action and imposed a fine of ₹57,500.
Good Job, @Noidatraffic 👏👏 pic.twitter.com/Qn1nmGpmJj— Greater Noida West (@GreaterNoidaW) October 10, 2025
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই দায়িত্বশীল গাড়ি চালানো নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। একজন ব্যবহারকারী এটিকে “একটি ঝুঁকিবহুল স্টান্ট” বলে অভিহিত করেন। অনেকে আবার এই ধরণের বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছেন। একজন ক্ষুব্ধ ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, “জরিমানা নয়, গাড়িটি আটক করা উচিত এবং লাঠি দিয়ে মারধর করা উচিত… তবেই তারা শিক্ষা পাবে।”
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল যে, রাস্তায় স্টান্টবাজি বা বেপরোয়া আচরণ এখন আর পার পাওয়া সম্ভব নয়, কারণ ট্র্যাফিক পুলিশ কঠোরভাবে নজর রাখছে।