রাতে ঘটনা ঘটিয়ে বাড়ে নিশ্চিন্তে ঘুম! গাইঘাটা এনকাউন্টারে খতম ধর্ষকের ভাইয়ের বিস্ফোরক মন্তব্য!

উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় চাঞ্চল্যকর এনকাউন্টারে মৃত্যু হলো নাবালিকাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত হঠাৎই তাঁদের সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে চালানো পুলিশের পাল্টা গুলিতে ঘটনাস্থলেই খতম হয় কুখ্যাত এই অপরাধী। তবে ভাইয়ের এমন অপরাধ এবং এনকাউন্টারের পর কার্যত বাকরুদ্ধ অভিযুক্তের পরিবার।
ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার রাতে। ওই নাবালিকা তার মায়ের সঙ্গে স্থানীয় একটি মেলা বা অনুষ্ঠানে গিয়েছিল। বান্ধবীদের সঙ্গে ঘোরাঘুরির সময় আচমকা নিখোঁজ হয়ে যায় সে। পরদিন অর্থাৎ রবিবার সকালে একটি বাড়ির পিছন থেকে ওই নাবালিকার অর্ধনগ্ন ও ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হলে গোটা এলাকায় ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে রবিবার রাতেই অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ঘটনা প্রসঙ্গে প্রহ্লাদের ভাই এক বিস্ফোরক বয়ানে জানান, “শনিবার রাতে এই জঘন্য অপরাধ ঘটিয়ে এসে দাদা নিশ্চিন্তে বাড়িতে ঘুমোচ্ছিল। পরদিন পুলিশ এসে ওকে তুলে নিয়ে যায়। দাদা এমন জঘন্য কাণ্ড ঘটাতে পারে, আমরা ঘূণাক্ষরেও ভাবতে পারিনি। পাড়ার সবাই এই ঘটনায় চরম আশ্চর্য হয়ে গিয়েছে।”
এনকাউন্টারের বিষয়ে তিনি আরও জানান, “পুলিশ প্রথমে আমায় বা পরিবারকে কিছুই জানায়নি। সকালে হঠাৎ থানা থেকে ফোন আসে এবং বাবা-মাকে ডেকে পাঠানো হয়। পরে আমরা জানতে পারি হাসপাতালে দাদার মৃতদেহ পড়ে রয়েছে।” বর্তমানে হাসপাতাল চত্বরে ও পুরো গাইঘাটায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তা জারি রয়েছে।