২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের দিনক্ষণ নিয়ে বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্দরে জোর চর্চা চলছে। ২০১৭ সাল থেকে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির হাত ধরে ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশের যে প্রথা চালু হয়েছিল, আগামী বছর তাতে কিছুটা ছন্দপতনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কারণ, ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পড়েছে রবিবার।
কেন এই ধোঁয়াশা?
সাধারণত রবিবার সরকারি ছুটি এবং দেশের শেয়ার বাজার (Stock Market) বন্ধ থাকে। বাজেট পেশের সঙ্গে শেয়ার বাজারের গভীর সম্পর্ক থাকায় এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির সুবিধার্থে রবিবার বাজেট পেশ করা হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। এছাড়াও আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সন্ত রবিদাস জয়ন্তী, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ তিথি।
আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য তিনটি তারিখ:
সূত্রের খবর, সরকার বর্তমানে তিনটি বিকল্প দিন নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে: ১. ৩১ জানুয়ারি (শনিবার): ১ ফেব্রুয়ারির আগের দিন। ২. ১ ফেব্রুয়ারি (রবিবার): প্রথা বজায় রেখে ছুটির দিনেই বাজেট। ৩. ২ ফেব্রুয়ারি (সোমবার): ছুটির পর সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস।
অতীতের নজির:
বাজেট পেশের ইতিহাসে ছুটির দিনে বা প্রথা ভাঙার উদাহরণ নতুন নয়:
-
১৯৯৯ সাল: তৎকালীন অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা রবিবারেই বাজেট পেশ করেছিলেন। সে বছরই বাজেটের সময় বিকেল ৫টা থেকে সকাল ১১টায় সরিয়ে আনা হয়েছিল।
-
২০২৫ সাল: চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি শনিবার হওয়া সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী বাজেট (Interim Budget) পেশ করা হয়েছে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার হাতে?
বাজেট পেশের চূড়ান্ত তারিখ এবং সময় নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির (CCPA) ওপর। শেয়ার বাজারের স্থিতিশীলতা, রবিদাস জয়ন্তী এবং রবিবাসরীয় ছুটির কথা মাথায় রেখেই কমিটি চূড়ান্ত সিলমোহর দেবে।