যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিশ্বসেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় আবারও ষড়যন্ত্রের গন্ধ পেলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। এর আগেও তিনি এই ঘটনার পিছনে কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে আরও একবার তিনি একই প্রসঙ্গে সওয়াল করলেন।
কুণাল ঘোষ বলেন, “যুবভারতীর ঘটনায় একটা বিরাট ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। একটা বৃহত্তর ষড়যন্ত্র থাকার সম্ভাবনা থাকা সত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজধর্ম পালন করলেন।”
কুণাল ঘোষের সন্দেহের মূল কারণ:
সাংবাদিক বৈঠক থেকে কুণাল ঘোষ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নিরাপত্তা কর্মীদের ভূমিকার উপর সন্দেহ প্রকাশ করেন।
-
মেসিকে ঘিরে ধরা: তিনি বলেন, “আপনি কলকাতায় দেখলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বেসরকারি আয়োজকদের নিরাপত্তারক্ষীরা ভিমরুলের চাকের মতো মেসিকে ঘিরে ধরল। অথচ হায়দরাবাদ, মুম্বই আর দিল্লিতে তারা নেই। দর্শকরা দেখতে পাচ্ছেন।”
-
‘প্লট’ তৈরি করার অনুমান: তাঁর প্রশ্ন, “তাহলে কি এটা কোনও প্লট ছিল যে দর্শকদের বাধা দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করো, আর নিজেদের লোক ঢুকিয়ে গণ্ডগোল করো?”
-
আবেগে আঘাত: কুণাল ঘোষ স্বীকার করেন যে ফুটবলপ্রেমীদের আঘাত লেগেছে এবং এই ক্ষোভের সুযোগ নিয়ে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গণ্ডগোল করেছে কি না, তা নিয়ে তাঁর সন্দেহ রয়েছে।
আগের প্রতিক্রিয়া:
প্রসঙ্গত, গত শনিবার যুবভারতীতে Messi-কে দেখতে না পেয়ে একাংশ দর্শক ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন এবং মাঠের ভিতরে ঢুকে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করেন। সেই সময় কুণাল ঘোষ দুঃখপ্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘কলকাতা পারল না’ এবং ‘এত হ্যাংলামীর কি প্রয়োজন ছিল’ বলেও প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু এরপরই তিনি সন্দেহ প্রকাশ করতে শুরু করেন যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে কি না। মঙ্গলবারও তিনি সেই একই সন্দেহের কথা স্পষ্ট করলেন।