মোদী সরকারের ঘুম ওড়াতে একমঞ্চে ‘ইন্ডিয়া’ জোট! কেন নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফা চাইছে কংগ্রেস?

উৎসবের মরশুমে দিল্লির রাজপথ এখন রাজনৈতিক আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। ১লা নভেম্বর ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের বিশাল প্রস্তাবিত রাজনৈতিক সমাবেশের বিপরীতে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ শীর্ষক পাল্টা মিছিলের আয়োজন করায় রাজধানী জুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তীক্ষ্ণ বাকযুদ্ধ তুঙ্গে পৌঁছেছে।

কংগ্রেস সাংসদ পবন খেরা বিজেপির দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করে প্রশ্ন তোলেন, কেন বিরোধী দলের কর্মসূচিতে ব্যবসায়িক ক্ষতির বাহানা তোলা হয়, আর শাসকদলের নিজস্ব মিছিলে সেই যুক্তি উধাও হয়ে যায়? তিনি ক্ষোভের সাথে জানতে চান, কীভাবে বিজেপির মিছিলে ব্যবসায়ীদের লাভ হয় আর বিরোধীদের মিছিলে ক্ষতি হয়? উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা সংশোধন ইস্যুতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেষ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলন আরও জোরালো রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লির ‘চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (CTI) উৎসবের এই ব্যস্ত সময়ে চাঁদনি চক, সদর বাজারের মতো বাণিজ্য কেন্দ্রগুলোতে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় বিরোধী দলকে কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল।

এনএসইউআই (NSUI)-এর জাতীয় সভাপতি বিনোদ জাখর দাবি করেছেন যে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বিশাল গণজমায়েতের পূর্বাভাস পেয়ে বিজেপি পুরোপুরি আতঙ্কিত। তিনি জানান, রাহুলের স্পষ্ট বার্তা—মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করলেই এই বিশাল সমাবেশ অবিলম্বে বাতিল করা হবে। গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার এই লড়াইয়ে সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেন।