‘মোদির ভয়ে আর কতদিন চুপ থাকবেন?’ অমিত শাহের মুখ খোলায় কংগ্রেসের লাগামছাড়া হুংকার!

কংগ্রেস পার্টির ক্রমবর্ধমান শক্তি ও পুনরুত্থানের ফলেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে মুখ খুলতে বাধ্য হতে হয়েছে বলে আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রমোদ তিওয়ারি। ভোটার তালিকার ‘স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন’ (SIR) প্রক্রিয়ায় বিরোধীরা বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করতে চাইছে—অমিত শাহের এমন মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে প্রমোদ তিওয়ারি দেশের চার রাজ্যে কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনের জোরালো উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য এটাই যে, দীর্ঘ সময় চুপ থাকার পর অমিত শাহকে গতকাল জনসমক্ষে আসতে হয়েছে। ১৯৮৫ সালে আমি নিজ চোখে দেখেছিলাম সংসদে বিজেপির মাত্র দুজন সাংসদ ছিলেন… উত্তরপ্রদেশেও তারা খাতা খুলতে পারেনি। আজ কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।” আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং পাঞ্জাবে কংগ্রেসের নেতৃত্বেই জাতীয় পতাকা উড়বে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার গ্রেপ্তার এবং তিহাড় জেল যাত্রার তীব্র নিন্দা করে শিবসেনা (UBT) সাংসদ সঞ্জয় রাউত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, যতদিন না মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করছেন, ততদিন ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের এই লাগাতার প্রতিবাদ ও আন্দোলন থামবে না। গতকালের যৌথ বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ না আসা পর্যন্ত কোনোভাবেই পিছু হঠবে না বিরোধী শিবির। এদিকে, জন্তর-মন্তর সংলগ্ন নিষিদ্ধ এলাকায় ব্যারিকেড ভেঙে জোরপূর্বক প্রবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে ধৃত সিজেপি নেতাদের পাশে দাঁড়িয়ে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের বার্তা দেওয়া হয়েছে।