তিহাড় জেলে বন্দি ককরোচ নেতারা! রাহুলের হুঙ্কারের পরেই জন্তর-মন্তর কাণ্ডে নয়া রাজনৈতিক ঝড়!

দিল্লির জন্তর-মন্তর এলাকায় প্রতিবাদ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস এবং আষ্টোষ রাঙ্কার পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শান্তি বজায় রাখার বন্ডের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে ধৃত ওই দুই নেতাকে সম্প্রতি পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে (জুডিশিয়াল কাস্টডি) তিহাড় জেলে পাঠানো হয়েছে। এই গোটা ঘটনাকে ‘কাফিরসুলভ ও কাপুরুষোচিত পদক্ষেপ’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস সাংসদ।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের আইনজীবীরা এই অনধিকার প্রবেশ ও পুলিশি হেনস্থার তীব্র প্রতিবাদ জানান। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ (পূর্বতন টুইটার) ককরোচ পার্টির নেতারা রাহুলের এই প্রকাশ্য সমর্থনের জন্য তাঁকে অশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন। অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, শুধুমাত্র জন্তর-মন্তর চত্বরে সসম্মানে দেশের জাতীয় পতাকা তেরঙ্গা ওড়ানোর অপরাধেই এই তরুণ কর্মীদের বিনা বিচারে জেলে পোরার ফন্দি আঁটা হয়েছে।

রাহুল গান্ধী তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় জোরালো ভাষায় বলেন, “শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সময় জন্তর-মান্তরে তিরঙ্গা ওড়ানো কোনো অপরাধ হতে পারে না। এর জন্য দেশের তরুণদের এভাবে জেলে বন্দি করা চরম কাপুরুষতা ছাড়া কিছু নয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে, আজ ছাত্র, যুবক, সাংবাদিক থেকে শুরু করে গোটা ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোট ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে রাস্তায় নামলেও সকলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এক—তাঁরা প্রত্যেকেই নিজেদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরে পাওয়ার দাবিতে লড়াই করছেন। পরিশেষে জন্তর-মন্তর চত্বর প্রসঙ্গে রাহুল হুঙ্কার ছেড়ে বলেন, “জন্তর-মন্তর খাস দেশের সাধারণ মানুষের। এই অধিকার আমরা যেভাবেই হোক ছিনিয়ে নেবই।”