মুম্বই ছাড়ছেন হার্দিক পান্ডিয়া? সিএসকে থেকে কেকেআর— তারকা অলরাউন্ডারকে দলে টানতে কোটি টাকার লড়াই তুঙ্গে!

আইপিএল ২০২৭-এর মিনি নিলামের আগে ক্রিকেট মহলে শুরু হয়ে গেছে চরম জল্পনা। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গোয়ায় নিলামের আসর বসার আগে বর্তমানে খোলা রয়েছে ট্রেডিং উইন্ডো (IPL Trade Window)। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই ভারতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার তথা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ঘরের ছেলে হার্দিক পান্ডিয়াকে (Hardik Pandya) দলে টানতে আসরে নেমে পড়েছে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি। ৩২ বছর বয়সি এই তারকাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে জোরদার দর কষাকষি।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্পূর্ণ ফিট থাকলে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ও বিধ্বংসী অলরাউন্ডার হিসেবে গণ্য করা হয় হার্দিককে। তাঁর মারকাটারি ব্যাটিং ও বোলিং দক্ষতার পাশাপাশি তাঁর সফল অধিনায়কত্বও দলগুলির কাছে এক মস্ত বড় আকর্ষণ। নিজের প্রথম অধিনায়কত্বেই গুজরাট টাইটান্সকে ট্রফি উপহার দেওয়া এবং পরের বার ফাইনালে তোলার নজির রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। যদিও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও দল পরিচালনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, তবুও তাঁকে পেতে মরিয়া আইপিএলের একাধিক টিম।

বিশেষ করে চেন্নাই সুপার কিংস (CSK) এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR)-এর মতো দলগুলির নাম এই দৌড়ে জোরালোভাবে উঠে আসছে। ভারতীয় দলের প্রাক্তন পেসার জহির খান বর্তমানে চেন্নাইয়ের থিঙ্ক ট্যাঙ্কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। মুম্বইয়ে একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে জহিরের সঙ্গে হার্দিকের পুরোনো সুসম্পর্ক রয়েছে, যা সিএসকে-র অন্দরে জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।

খেলোয়াড় কেনাবেচা বা দলবদলের এই প্রক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যেই সমস্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিকে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। ফলে হাতে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ সময় রয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে যে রোহিত-কোহলিদের মতো হার্দিকও নতুন কোনো জার্সিতে মাঠ মাতান কি না।