“মিলবে আয়ুষ্মান ও স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা!”-সাংবাদিক সুরক্ষা নিয়ে নবান্নের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ

মঙ্গলবারে নবান্ন থেকে সাংবাদিকদের জন্য একগুচ্ছ যুগান্তকারী কল্যাণমূলক প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আজ থেকেই কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের হাজার হাজার সাংবাদিক এবং তাঁদের পরিবার সরাসরি উপকৃত হবেন। স্বাস্থ্যবিমা, বর্ধিত পেনশন থেকে শুরু করে শারদোৎসবের বোনাস—এদিন এক ঘোষণাতেই সাংবাদিক মহলের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করল রাজ্য সরকার।
স্বাস্থ্যবিমা যোজনায় সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্তি
মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে সমস্ত সাংবাদিক ও তাঁদের পরিবার ইতিমধ্যেই আয়ুষ্মান যোজনার আওতাভুক্ত রয়েছেন, তাঁদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। তবে যাঁরা এতদিন এই সুবিধার বাইরে ছিলেন, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনায় আবেদন করলেই এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হবেন। এর ফলে রাজ্য তো বটেই, দেশের যেকোনো নামী হাসপাতালেও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন সাংবাদিকেরা।
পেনশন বেড়ে হল ৫০০০ টাকা
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর শুনিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্বের নিয়মে সাংবাদিকরা পেনশন বাবদ নামমাত্র ২৫০০ টাকা পেতেন। সেই অঙ্ক এবার সোজা দ্বিগুণ অর্থাৎ ৫০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডেস্কে কর্মরত এবং অ্যাক্রিডেশন কার্ড না থাকা প্রবীণ সাংবাদিকেরাও যাতে এই সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করা হয়েছে। যোগ্য আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কোনো কোটা বা সংখ্যা বিচার্য হবে না বলেই স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
পুজোয় ৩০০০ টাকা বোনাস
উৎসবের মরশুমের আগে সাংবাদিকদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অতীতে কলকাতার সাংবাদিকেরা ২০০০ টাকা এবং জেলার সাংবাদিকেরা ১৫০০ টাকা করে উৎসবের বোনাস পেতেন। সেই বৈষম্য দূর করে এবার রাজ্যের সমস্ত সাংবাদিকের জন্য শারদোৎসবের বোনাস একলাফে বাড়িয়ে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই অভাবনীয় পদক্ষেপে রাজ্যজুড়ে খুশির হাওয়া সাংবাদিক মহলে।