মায়ের ছবির টিজার দেখেই কেঁদে ভাসাল ১০ বছরের তৈমুর! কেন এমন মর্মান্তিক ঘটনা নাড়া দিল ছোট নবাবকে?

বড় পর্দায় মুক্তির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছে করিনা কাপুর খান এবং পৃথ্বীরাজ সুকুমারণ অভিনীত অত্যন্ত প্রত্যাশিত ছবি ‘দায়রা’। মেঘনা গুলজার পরিচালিত এই ছবিটি নারীদের ওপর যৌন নিপীড়ন এবং অপরাধের শাস্তির মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুতর বিষয়ের ওপর আধারিত। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলা এই ছবির টিজার ও ট্রেলার ইতিমধ্যেই দর্শকদের মনে গভীর রেখাপাত করেছে। তবে শুধু দর্শক নয়, ছবির মূল চরিত্র কারিনার নিজের পরিবারেও এই টিজার ফেলেছে গভীর প্রভাব। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কারিনা প্রকাশ করেছেন যে, ছবির প্রমো দেখে তাঁর দশ বছরের ছেলে তৈমুর আলী খান কীভাবে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিল।
ব্রুট ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কারিনা জানান, সাধারণত তিনি চাননি এত ছোট বয়সে তৈমুর এই ধরনের তীব্র প্রতিমা বা দৃশ্য দেখুক। কিন্তু একজন অভিভাবক ও অভিনেত্রী হিসেবে তিনি মনে করেন, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ১০ বছরের একটি ছেলেরও সমাজের চারপাশের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল, কিংবা কারও সীমানাকে সম্মান জানানোর অর্থ কী—সেসব ছোট থেকেই শিশুদের বোঝা উচিত। মায়ের মুখে ছবির বিষয়বস্তু শোনার পর তৈমুর শুধু মন খারাপই করেনি, বরং সে সাফ জানিয়ে দেয় যে সে সিনেমা হলে গিয়ে পুরো ছবিটা দেখতে চায়।
উল্লেখ্য, ‘দায়রা’ ছবিটির গল্প সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত। যেখানে একটি মর্মান্তিক ধর্ষণের ঘটনার পর অভিযুক্তের এনকাউন্টার এবং পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে সেই এনকাউন্টারের তদন্তের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে পৃথ্বীরাজ সুকুমারণকে ভুয়া এনকাউন্টারের অভিযোগে অভিযুক্ত এক পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় দেখা যাবে, আর কারিনা কাপুর অভিনয় করেছেন সেই পুলিশ অফিসারের চরিত্রে যিনি এই এনকাউন্টারটি আদৌ ন্যায়সঙ্গত ছিল কি না তা তদন্ত করে দেখেন। বিচারব্যবস্থা বনাম এনকাউন্টারের এই দ্বন্দ্বে ভরা গল্পটি দর্শকদের কতটা নাড়া দেয়, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।