‘মানুষের পাশে থাকতে গেলে তৃণমূলই একমাত্র ভরসা’, কেন এমন বললেন প্রাক্তন সিপিএম নেতা?

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে বিরোধী শিবিরে বড়সড় ভাঙন ধরাল তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বিকেলে কুলতলিতে এক যোগদান সভায় বিরোধী দল এসইউসিআই এবং সিপিএম-এর প্রায় এক হাজার নেতা-কর্মী এবং সমর্থক তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। এই যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন এসইউসিআই নেতা সুধীর হালদার এবং প্রাক্তন সিপিএম নেতা রমনীরঞ্জন দাস।

তৃণমূলে যোগ দিয়ে সুধীর হালদার বলেন, “মানুষের পাশে থাকতে চাইলে আজ তৃণমূল কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা।” অন্যদিকে, ১৯৯০ সালে কুলতলি বিধানসভার প্রার্থী রমনীরঞ্জন দাস জানান, মানুষের মতামত নিয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একসময়ের এই হেভিওয়েট বাম নেতা বলেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কংগ্রেস থেকে শুরু করে সিপিএম হয়ে লড়াই করেছেন।

কুলতলি বিধানসভার বিধায়ক গণেশ চন্দ্র মণ্ডল দাবি করেন, প্রায় এক হাজার মানুষের এই যোগদান প্রমাণ করে যে মানুষের আস্থা কেবল তৃণমূলের উপরই রয়েছে।

বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া
যদিও তৃণমূলের এই যোগদানকে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। সিপিএম কুলতলি এরিয়া কমিটির সম্পাদক উদয় মণ্ডল বলেন, “এরা একসময় তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে গিয়েছিল, আবার ফিরে আসছে। তৃণমূলই বিজেপিকে শক্তিশালী করেছে।” তিনি আরও বলেন, “২০২৬ সালে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই এইসব নাটক করছে তৃণমূল।”

তবে আসন্ন নির্বাচনের আগে তৃণমূলের জন্য এই যোগদান无疑ই একটি ইতিবাচক দিক, যা দলের সাংগঠনিক শক্তিকে আরও মজবুত করবে।