মন্ত্রীর বডি ল্যাঙ্গুয়েজে চরম উত্তেজনা! ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোজা মর্গের সামনে ধর্নায় বসলেন সঞ্জয় নিষাদ

উত্তরপ্রদেশের গোন্ডা জেলার এক বাসনপত্র ব্যবসায়ীর ওপর চলা প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড় সামনে এসেছে। লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি বা কেজিএমইউ-তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪৫ বছর বয়সি ওই ব্যবসায়ী বিনোদ কুমার সাহনির মৃত্যুর পরই রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই যোগী সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী ডঃ সঞ্জয় নিষাদ সোজা কেজিএমইউ-র ময়নাতদন্ত কেন্দ্রে পৌঁছে যান এবং পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে প্রকাশ্য ধর্নায় বসে পড়েন।
নিহত বিনোদ কুমার সাহনি গোন্ডার পারসাপুর থানা এলাকার রেক্সদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে দোকান বন্ধ করে বাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে লাল্লান যাদবের দোকানের সামনে তাঁকে ঘিরে ধরে ৮-১০ জন দুষ্কৃতী। ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জহম হওয়া বিনোদ হামলাকারীদের মধ্যে শুভম সিং ওরফে গোলু সিং, আকাশ সিং এবং সুভাষ সিংকে চিনতে পেরেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পরে গোন্ডা মেডিকেল কলেজ হয়ে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে লখনউয়ের কেজিএমইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পরেই মৃত ব্যবসায়ীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে চরম বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মন্ত্রী সঞ্জয় নিষাদ। তাঁর সঙ্গে ভিআইপি পার্টির প্রধান মুকেশ সাহনি এবং সমাজবাদী পার্টির এমএলসি রাজপাল কাশ্যপও এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেন। অবহেলা ও ব্যর্থতার অভিযোগে পারসাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং শাহপুর ফাঁড়ির ইনচার্জসহ অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারদের দ্রুত বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছেন মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর গোন্ডায় পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও বাসভবন ঘেরাও করারও কড়া হুংকার দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পারসাপুর থানায় নাম ও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে অভিযুক্তদের ধরতে তিনটি পৃথক দল নামিয়েছে পুলিশ।