মাত্র ১০,৯৯৯ টাকা থেকে শুরু! চোখধাঁধানো ফিচারের সঙ্গে ভারতে জোড়া নতুন স্মার্টফোন আনল বোল্ট

স্মার্টফোন বাজারে দাপট দেখাতে সম্পূর্ণ নতুন দুটি ডিভাইস নিয়ে হাজির হলো জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ফায়ারবোল্ট। মঙ্গলবার (২৫শে আগস্ট) ভারতের বাজারে তাদের নতুন সাব-ব্র্যান্ড ‘বোল্ট’-এর অধীনে Boltt Ace 5G এবং Boltt Evo নামের দুটি দুর্দান্ত স্মার্টফোন লঞ্চ করেছে কোম্পানিটি। সাশ্রয়ী মূল্যের পাশাপাশি প্রিমিয়াম ফিচারের ছোঁয়া থাকায় ফোন দুটি নিয়ে গ্যাজেটপ্রেমীদের মধ্যে ইতিমধ্যে উন্মাদনা শুরু হয়েছে। আগামী ১লা সেপ্টেম্বর থেকে জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্ট (Flipkart)-এ ফোনগুলির বিক্রি শুরু হবে, যেখানে প্রথম দিনেই থাকছে ১,০০০ টাকার বিশেষ ছাড়।

দাম ও ভ্যারিয়েন্ট

  • Boltt Evo: এই ফোনটির দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ১০,৯৯৯ টাকা থেকে। এর ৬ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ মডেলটির দাম রাখা হয়েছে ১১,৯৯৯ টাকা

  • Boltt Ace 5G: এই ৫জি মডেলের ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম শুরু হচ্ছে ১৩,৯৯৯ টাকা থেকে। এছাড়া ৬ জিবি + ১২৮ জিবি মডেলের দাম ১৪,৯৯৯ টাকা এবং ৮ জিবি + ১২৮ জিবি টপ মডেলের দাম পড়বে ১৫,৯৯৯ টাকা

ডিসপ্লে ও প্রসেসর উভয় স্মার্টফোনেই রয়েছে একটি বিশাল ৬.৭৯-ইঞ্চি এইচডি+ (৭২০×১৬৪০ পিক্সেল) এলসিডি ডিসপ্লে, যা ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং সর্বোচ্চ ৬০০ নিটস ব্রাইটনেস সমর্থন করে। স্ক্রিনের মাঝখানে পাঞ্চ-হোল কাটআউটের মধ্যে রয়েছে একটি ৮-মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। পারফরম্যান্সের দিক থেকে ফোন দুটিতে আলাদা প্রসেসর দেওয়া হয়েছে। বোল্ট ইভো চালিত হয় ইউনিসক টি৭২৫০ প্রসেসর দ্বারা, অন্যদিকে শক্তিশালী এস ৫জি মডেলে রয়েছে ইউনিসক টি৮২০০ চিপসেট। দুটি ফোনই লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ১৬ অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে এবং এতে সার্কেল টু সার্চ ও গুগল লেন্সের মতো আধুনিক এআই ফিচার রয়েছে।

ক্যামেরা ও শক্তিশালী ব্যাটারি ফটোগ্রাফির জন্য Boltt Ace 5G-তে এফ/১.৮ অ্যাপারচার সহ ৬৪-মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে Boltt Evo মডেলে রয়েছে একটি ৫০-মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা। দুটি ফোনেই গুগলের ফেস আনব্লার এবং নাইট মোডের মতো এআই ইমেজিং ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য উভয় ফোনেই রয়েছে ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্টসহ একটি বিশাল ৬,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার (mAh) ব্যাটারি। এছাড়া Ace 5G মডেলে এনএফসি (NFC) সাপোর্ট থাকায় গুগল পে বা পেটিএমের মাধ্যমে সহজেই ট্যাপলেস পেমেন্ট করা যাবে।