ভোট চুরির অভিযোগে তোলপাড়ের মাঝেই মোক্ষম মোড়! নির্বাচন কমিশনের সমর্থনে সওয়াল ১২৪ জন প্রাক্তন আমলার

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিক্ষোভ-আন্দোলনে শনিবার দিনভর উত্তপ্ত ছিল রাজধানী দিল্লি। এমন এক টালমাটাল ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের পাশে দাঁড়িয়ে সরাসরি মুখ খুললেন দেশের প্রবীণ ও বিশিষ্ট নাগরিকরা। ১২৪ জন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস এবং আইএফএস (IAS & IFS) অফিসার যৌথভাবে নির্বাচন কমিশনের সমর্থনে এক খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন, যা ঘিরে বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।
দেশবাসীর উদ্দেশে লেখা ওই খোলা চিঠিতে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে যে, শুধুমাত্র অনুমান বা সন্দেহের বশে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে এ ধরনের বেনজির অভিযোগ তোলা কোনওভাবেই কাম্য নয়। ভোট প্রক্রিয়ায় কারচুপি বা রিগিংয়ের যে সমস্ত অভিযোগ তুলছে বিরোধী পক্ষ, তার স্বপক্ষে যথাযথ ও জোরাল প্রমাণ থাকা অত্যন্ত জরুরি।
অবসরপ্রাপ্ত ওই আমলাদের দাবি, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া বারংবার নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে তা ভারতীয় গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করে দিতে পারে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর থেকে ধীরে ধীরে আস্থা ও ভরসা উঠে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। দিল্লির রাজপথে যখন সিজেপি ও বিরোধী দলগুলির আন্দোলন ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি ও হাজার হাজার আটকের ঘটনা ঘটছে, ঠিক সেই মুহূর্তে একঝাঁক প্রাক্তন আমলার এই অবস্থান নির্বাচন কমিশনকে বড় স্বস্তি দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।