ভোটের আগেই নন্দীগ্রামে চরম নাটক! পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার কংগ্রেস প্রার্থী, নেপথ্যে বড় চক্রান্ত?

উপনির্বাচনের আগেই তপ্ত নন্দীগ্রাম! কংগ্রেস প্রার্থী গ্রেফতার হতেই পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রমশ চড়ছে রাজনীতির পারদ। ভোটের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার আগেই হাইভোল্টেজ এই কেন্দ্রে শুরু হয়ে গিয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। এবার কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান গ্রেফতার হতেই রাজ্য রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
নির্বাচনী লড়াই শুরুর ঠিক প্রাক্কালে প্রার্থীর এই গ্রেফতারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন। ক্ষোভে ফেটে পড়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।
মনোনয়ন প্রত্যাহারে চাপ ও চক্রান্তের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, নন্দীগ্রামের নির্বাচনী ময়দান থেকে মিলন প্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন তরফ থেকে মানসিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। অভিযোগ, প্রার্থীপদ বা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য তাঁকে প্রতিনিয়ত হুঙ্কার দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সেই চাপে নতিস্বীকার না করায় চক্রান্ত করে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সরব হয়েছে হাত শিবির।
পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ শুভঙ্কর সরকারের
কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতারের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব এবং শাসকদলের এজেন্ট হিসেবে কাজ করার সরাসরি বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
শুভঙ্কর সরকার সাফ জানান, নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধীদের ভয় দেখাতেই পুলিশকে হাতিয়ার করা হচ্ছে। গণতন্ত্রকে হত্যা করে নন্দীগ্রামে মুক্ত ও অবাধ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে বলেও তোপ দাগেন তিনি।
নন্দীগ্রামের মাটিতে ভোটের আগেই কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারি ও এই রাজনৈতিক তোলপাড় উপনির্বাচনের সমীকরণকে যে আরও জটিল করে তুলল, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ঘটনার জল কতদূর গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর গোটা রাজ্যের।