‘ভীতু ও কাপুরুষ সরকার, ১০ অক্টোবর একনায়কতন্ত্রের পতনের দিন!’ ছাড়া পেতেই মোদী সরকারকে চরম চ্যালেঞ্জ সিজেপি প্রধান অভিজিতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র আন্দোলন ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজধানী। শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। মুম্বই থেকে বিমান দিল্লি বিমানবন্দরে নামার পরই বিমান থেকে নাটকীয় কায়দায় সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পুলিশি হেফাজত কাটিয়ে রবিবার দিল্লির আদালত থেকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পেলেন এই তিন ‘ককরোচ’ নেতা।
মুক্তির পরই কোনো রাখঢাক না রেখে কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে হুংকার ছাড়েন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দিপকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক পোস্টে বিজেপি সরকারকে ‘ভীতু’ ও ‘স্বৈরাচারী’ বলে তোপ দেগেছেন তিনি। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী দিনে আন্দোলন থেকে একচুলও পিছু হঠবে না দল।
এ দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক সুরে অভিজিৎ লেখেন, “১০ অক্টোবর তারিখটি ইতিহাসে এই স্বৈরতন্ত্রের পতনের সূচনা হিসেবে চিরকাল চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বর্তমান শাসক দলের এই কাপুরুষোচিত আচরণ ও দমনপীড়ন প্রমাণ করে দিয়েছে তাদের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে। আমরা ভয় পাই না, এই সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে এবং আমরা খুব শীঘ্রই আবার রাস্তায় নামব।”
উল্লেখ্য, জামিন পাওয়ার পর আদালত শর্ত দিয়েছে যে আগামী এক বছর তাঁরা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো অশান্তিমূলক কাজে জড়াতে পারবেন না। তবে সমস্ত আইনি শর্ত ও পুলিশি কড়াকড়িকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সিজেপি নেতাদের এই তেজোবদর মনোভাব জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন বনাম বিরোধীদের এই তরজা আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।