বাঙালির প্রিয় শুক্তো, কিন্তু একেবারে অন্য স্বাদে! ঠাকুরবাড়ির বিশেষ রেসিপিতে জমে উঠুক দুপুরের ভোজ

গরমকালে বাঙালি পাতে শুক্তো না থাকলে চলে না! এটি শুধু স্বাদে অতুলনীয় নয়, বরং শরীর ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করে। বিভিন্ন সবজির মিশেলে তৈরি এই পদটি খুবই স্বাস্থ্যকর। যদি একই স্বাদের শুক্তো খেতে একঘেয়ে লাগে, তাহলে এবার বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ঠাকুরবাড়ির বিশেষ শুক্তো। রইল সেই রেসিপি।

ঠাকুরবাড়ি স্পেশাল শুক্তো রান্নার উপকরণ
সবজি: ১টি কাঁচকলা, ৪-৫টি সজনে ডাঁটা, ২টি পেঁপে।

অন্যান্য: ১০টি বড়ি, ২ টেবিল চামচ সর্ষের তেল, ১ চা-চামচ গোটা সর্ষে, ১ টেবিল চামচ পাঁচফোড়ন, ১টি তেজপাতা, ২টি শুকনো লঙ্কা, ১ চা-চামচ আদা বাটা, ১ টেবিল চামচ পোস্ত বা সর্ষে বাটা।

মশলা: অর্ধেক চা-চামচ হলুদগুঁড়ো, পরিমাণমতো নুন, চিনি ও রাঁধুনি গুঁড়ো (শুকনো খোলায় ভেজে গুঁড়ো করা)।

তরল: অর্ধেক কাপ জল, ২ কাপ দুধ।

শুক্তো বানানোর সহজ পদ্ধতি
১. সবজি প্রস্তুত: প্রথমে সব সবজি লম্বা করে কেটে ভালো করে ধুয়ে নিন।

২. সবজি ভাজা: একটি কড়াইতে তেল গরম করে সবজিগুলো দিন। পরিমাণমতো নুন ও হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।

৩. সেদ্ধ করা: কষানো হয়ে গেলে জল দিয়ে দিন এবং কম আঁচে ৫-৬ মিনিট ফুটতে দিন, যাতে সবজি নরম হয়।

৪. বড়ি ও মশলা প্রস্তুত: অন্য একটি কড়াইতে শুকনো খোলায় রাঁধুনি ভেজে গুঁড়ো করে নিন। একইভাবে বড়িগুলো ভেজে তুলে রাখুন।

৫. ফোড়ন ও মশলা: এবার কড়াইতে আবার তেল গরম করে পাঁচফোড়ন, তেজপাতা ও শুকনো লঙ্কা দিন। ফোরনের সুগন্ধ বের হলে আদা বাটা, পোস্ত বা সর্ষে বাটা দিয়ে ভালো করে কষান।

৬. রান্নার শেষ পর্যায়: কষানো মশলার মধ্যে সেদ্ধ সবজিগুলো দিয়ে দিন। ভালোভাবে মিশিয়ে দুধ ও রাঁধুনি গুঁড়ো দিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন।

৭. পরিবেশন: সব শেষে নামানোর আগে ভাজা বড়ি ছড়িয়ে দিন। গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন আপনার তৈরি ‘ঠাকুরবাড়ি স্পেশাল শুক্তো’!