প্রৌঢ় বয়সে হঠাৎ কেন বিয়ের পিঁড়িতে বসার সিদ্ধান্ত নিলেন রজতাভ দত্ত? আসল সত্যিটা জানলে চোখ কপালে উঠবে!

‘বন্ধু’—এমন এক অদ্ভুত সম্পর্ক, যা মানুষ নিজেই বেছে নেয়। প্রতিটি মানুষের কাছে বন্ধুত্বের সমীকরণটা আলাদা। আর ঠিক এই সম্পর্কেরই এক অনন্য ও আবেগঘন গল্প নিয়ে হাজির হয়েছে রজত রায় ও অরুণাভ মুখোপাধ্যায়ের নতুন স্বল্পদৈর্ঘ্যের সিনেমা ‘বন্ধু’ (Bandhu)। ব্রোবন (BROBON)-এর ইউটিউব চ্যানেলে ইতিমধ্যে মুক্তি পেয়েছে এই শর্টফিল্মটি। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলার বিশিষ্ট অভিনেতা রজতাভ দত্ত (Rajatava Dutta), সঙ্গে রয়েছেন দুর্বার শর্মা, শিঞ্জিনী চক্রবর্তী এবং শিশুশিল্পী ধৃতান চৌধুরী। ছবিটির প্রযোজনা করেছেন শঙ্খ শীল।
১. বাবা-ছেলের দূরত্ব ও একাকীত্বের গল্প
কলকাতার মধ্যবিত্ত সমাজের এক বাস্তব চিত্রকে সামনে রেখেই তৈরি হয়েছে এই ছবির কাহিনী। ছবির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এক প্রৌঢ় বিপত্নীক বাবা এবং বিদেশে বসবাসকারী তাঁর একমাত্র সন্তানের মধ্যকার দূরত্ব ও না-বলা অভিমান। বাবা ও ছেলের এই মানসিক দূরত্বের ফলস্বরূপ তৈরি হওয়া গভীর একাকীত্ব কীভাবে গ্রাস করে, তা নিয়েই এগিয়ে যায় সিনেমার প্লট। সেই একাকীত্ব থেকে মুক্তি পেতেই বাবা এক অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নেন—তিনি বাড়ির রান্নার দায়িত্বে থাকা গৃহপরিচারিকাকেই বিয়ে করার কথা ভাবেন! আবেগ এবং হালকা হাসির খোরাক বা কমেডির এক অপূর্ব মিশ্রণে এগিয়েছে এই ছবি। শেষ পর্যন্ত বাবার এই অপ্রত্যাশিত ইচ্ছা পূর্ণ হয় কি না, তার উত্তর মিলবে ছবির একেবারে শেষ পর্যায়ে।
২. চিত্রনাট্য ও চরিত্র নিয়ে কী বলছেন রজতাভ দত্ত?
এই শর্টফিল্মে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে অভিনেতা রজতাভ দত্ত বলেন, “বন্ধু একটা আধঘণ্টার শর্ট ফিল্ম। দুর্বার শর্মা ও শিঞ্জিনী চক্রবর্তীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা দুর্দান্ত। ছোট্ট ধৃতানও রয়েছে এই ছবিতে। চিত্রনাট্যটা পড়ার পরই আমার ভীষণ পছন্দ হয়ে যায়। চিত্রনাট্যটা এত সুন্দর এবং প্রতিটি চরিত্রের মধ্যে আলাদা লেয়ার রয়েছে, যা আমায় গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল। ছবিতে কোনো ভারী বা জটিল বার্তা দেওয়া হয়নি, বরং একটা সহজ-সরল ও সাবলীল বার্তা দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।” সব মিলিয়ে ভালোবাসা এবং জীবনের অন্তিম লগ্নে এক প্রকৃত ‘বন্ধু’ পাওয়ার আকুতি নিয়েই তৈরি এই ছবি এখন নেটদুনিয়ায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।