প্রেমিকার সঙ্গে ডেটিংয়ে গিয়ে চরম বিপত্তি! দুই প্লেট ছোলে-ভাটুরে অর্ডার দিতেই হাতেনাতে ধরলেন স্ত্রী

প্রেমিকার জন্য মন ভরে ছোলে-ভাটুরে কিনতে গিয়েছিলেন এক স্বামী, কিন্তু খাবার হাতে পাওয়ার আগেই ঘটে গেল এক চরম বিপত্তি। প্রকাশ্য বাজারের মাঝেই আচমকা হাজির স্ত্রী, আর তারপরেই হাতেনাতে ধরে শুরু হয়ে গেল তুলকালাম কাণ্ড। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের হাপুরের তীর্থক্ষেত্র ব্রজঘাট এলাকায়।

জানা গেছে, অজয় নামের ওই ব্যক্তি কাজের অজুহাতে রোজ বাড়ি থেকে বের হতেন, কিন্তু আসলে দেখা করতেন তাঁর বান্ধবীর সঙ্গে। বিষয়টি নিয়ে পরিবারে বেশ কিছুদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। সম্প্রতি খবর মেলে, ব্রজঘাটের এক গেস্ট হাউসে প্রেমিকার সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছেন অজয়। খবর পেতেই কালবিলম্ব না করে পরিবারের লোকজনদের নিয়ে সটান সেখানে হাজির হন স্ত্রী কবিতা।

গেস্ট হাউসের কাছেই একটি খাবারের দোকানের সামনে অজয়কে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন কবিতা। দেখা যায়, তিনি পরম যত্নে অর্ডার দিয়ে দুটি প্লেট ছোলে-ভাটুরে কিনছেন। এই দৃশ্য দেখেই ক্ষোভের বাঁধ ভাঙে স্ত্রীর। মাঝরাস্তায় স্বামীকে ধরে তুমুল বচসা শুরু হয়, যা মুহূর্তের মধ্যে হাতাহাতিতে গড়ায়। বাজারের লোকজনের সামনেই অজয়কে উত্তম-মধ্যম দিতে শুরু করেন ক্ষুব্ধ স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। নিমেষেই সেখানে ব্যাপক ভিড় জমে যায়।

বেগতিক দেখে অজয় অবশ্য পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করার চেষ্টা করেন এবং পারিবারিক মানসিক শান্তির জেরেই ব্রজঘাটে এসেছেন বলে সাফাই দেন। তবে স্ত্রীর অকাট্য যুক্তির কাছে তাঁর সেই যুক্তি টেকেনি। কবিতা সটান প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “যদি একাই এসে থাকো, তবে ছোলে-ভাটুরে কেন দুটো প্লেট কিনলে?” এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর অজয়ের কাছে ছিল না। শেষমেশ এই হাই-ভোল্টেজ পারিবারিক নাটক থানায় পৌঁছায়। সেখানে পুলিশি হস্তক্ষেপে এবং দুই পক্ষের পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি শান্ত হয়। শেষপর্যন্ত আর প্রেমিকার সঙ্গে খাওয়া হয়নি অজয়ের, বরং বোঝাপড়া সেরে মুখ চুন করে স্ত্রীর সঙ্গেই বাড়ি ফিরে যেতে হয় তাঁকে।