গত ৫ অক্টোবরের সেই ভয়াবহ স্মৃতি আজও টাটকা। জলঢাকা নদীর প্রবল জলোচ্ছ্বাসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল ধূপগুড়ি ও ময়নাগুড়ির একের পর এক সাজানো সংসার। কিন্তু ডুয়ার্সের মানুষ হার মানতে শেখেনি। ধ্বংসলীলার রেশ কাটিয়ে এখন গ্রামগুলোতে শোনা যাচ্ছে নতুন করে ঘর বাঁধার শব্দ।
ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ের প্রধান দিকগুলো:
-
আবারও ঘর বাঁধা: গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের কুল্লাপাড়া সহ প্লাবিত এলাকাগুলোতে এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। কোথাও রাজমিস্ত্রি ইট গাঁথছেন, কোথাও বাঁশ-বেত দিয়ে তৈরি হচ্ছে মাথা গোঁজার ঠাঁই।
-
সরকারি সাহায্য: রাজ্য সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণের টাকা হাতে পেয়েই পুরনো ভিটেতে নতুন করে স্থায়ী ছাদ গড়ার কাজ শুরু করেছে দুর্গত পরিবারগুলো।
-
অদম্য জেদ: বন্যার তোড়ে আসবাবপত্র থেকে চাষের জমি—সব হারিয়েও গ্রামবাসীদের চোখেমুখে এখন লড়াইয়ের ছাপ। এক বাসিন্দার কথায়, “বিপদ বড় ছিল ঠিকই, কিন্তু আমাদের বাঁচার ইচ্ছেটা তার চেয়েও বড়।”
-
একটু আক্ষেপ: গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, ক্ষতিপূরণের অঙ্ক কিছুটা বেশি হলে ঘরগুলো আরও মজবুত ও নিরাপদ করা সম্ভব হতো।
প্রকৃতির রোষে সব হারিয়েও ডুয়ার্সের এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প এখন আশার আলো দেখাচ্ছে গোটা উত্তরবঙ্গকে।