প্রথমবার বালি পাচার কাণ্ডে ইডি-র বড়সড় সাফল্য! ঝাড়গ্রামের সাইকেল মিস্ত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধার লাখ লাখ টাকা

অবৈধ বালি পাচারের তদন্তে নেমে প্রথম দিনেই বড় সাফল্য পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ইডি আধিকারিকরা বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেছেন। জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত ১২ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে, এবং টাকা গোনার কাজ চলছে। জহিরুলের বাড়ি ও গাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল আলির এই উত্থান অবিশ্বাস্য। এক সময় সাইকেল মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন তিনি, এরপর হন ভিলেজ পুলিশ। হঠাৎই চাকরি ছেড়ে তিনি বালি তোলা ও সরবরাহের ব্যবসায় নামেন। এরপরই তার সম্পত্তি রকেট গতিতে বাড়তে শুরু করে।
এলাকার বেশিরভাগ বাড়ি একচালার হলেও, তারই মাঝে জহিরুলের বিশালাকার তিনতলা বাড়িটি চোখে পড়ার মতো। বিলাসবহুল এই বাড়িটি সিসিটিভি ক্যামেরায় মোড়া। কীভাবে মাত্র কয়েক বছরে জহিরুল এত বিপুল সম্পত্তির মালিক হলেন, তা নিয়ে স্থানীয়রা মুখ খুলতে নারাজ।
ইডি সূত্রে খবর, সুবর্ণরেখা নদী থেকে ভালো মানের বালি তুলে তা সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে দ্বিগুণ দামে কলকাতা, রাজ্যের বিভিন্ন অংশ এবং ঝাড়খণ্ডে পাচার করতেন জহিরুল। এই অবৈধ বালি কারবারের জন্যই তার এত দ্রুত উত্থান হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইডি আধিকারিকরা জহিরুলের বাড়ি থেকে বিভিন্ন নথি এবং তার গাড়ির কাগজও খতিয়ে দেখছেন।