“দুর্নীতির তালিকা প্রকাশ করতে পুরো ব্রিগেড ভাড়া করতে হবে!” বিজেপিকে নিয়ে কুণাল ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্য

বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ভূরি ভূরি অভিযোগ রয়েছে বলে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, বরং বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের কোনো কমতি নেই।

বিজেপিকে কটাক্ষ করে কুণাল ঘোষ বলেন, “বিজেপি যদি দুর্নীতির তালিকা প্রকাশ করতে চায়, তবে তাদের পুরো ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডটিই দলের জন্য ভাড়া নিতে হবে।” সাধারণ মানুষ সর্বদা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজের পাশেই রয়েছে বলে দাবি করে তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে কলকাতা কর্পোরেশন (KMC) বা অন্যান্য সমস্ত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস বিপুল ব্যবধানে জয়ী হবে। বিরোধী দলগুলি যতই দুর্নীতির ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ করুক না কেন, সাধারণ মানুষের আস্থা যে একমাত্র তৃণমূলের উপরেই রয়েছে, তা এ দিন আরও একবার স্পষ্ট করে দেন তিনি। কেএমসির নিয়ন্ত্রণ যে পুরোপুরি তৃণমূলের হাতেই থাকবে, সে বিষয়েও দৃঢ় আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ।

অন্যদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের সাফল্যকে আসন্ন পুর-নির্বাচনেও ধরে রাখতে এখন থেকেই পুরোপুরি কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজ্য বিজেপি। কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগম নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যেই দলের শীর্ষ স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। কলকাতার ভোটে দলের নির্বাচনী দায়িত্ব সামলানোর জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের মতো হেভিওয়েট নেতাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া পুরনিগমের ইন-চার্জ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ তথা দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাকে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মন্ত্রীদের পাশাপাশি প্রবীণ নেতাদের সরাসরি নির্বাচনী ময়দানে নামিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বিধানসভার সাফল্যের পর আত্মতুষ্টির কোনো জায়গা নেই এবং পুরসভাতেও ভালো ফল করতে তারা বদ্ধপরিকর।