‘দুগ্গা দুগ্গা’ বলে শুরু বায়োপিকের প্রচার!, সৌরভের বাড়িতে কী খেলেন অভিনেতা?

পর্দায় ‘দাদা’ হয়ে ওঠার এখন আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। তবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় হবেন, আর কলকাতার পুজো দেখবেন না—তা কি আর হয়? অষ্টমীর সকালে তাই বেহালায় ‘মহারাজের’ বাড়িতে কিছুটা সময় কাটানোর পরেই সোজা বালিগঞ্জের বিখ্যাত ম্যাডক্স স্কোয়্যারে পৌঁছে গেলেন অভিনেতা রাজকুমার রাও ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। পুজোর আনন্দ উপভোগ করার পাশাপাশি সেখানেই একসঙ্গে ঢাক বাজাতেও দেখা গেল দুজনকে। আর এই মুহূর্তের মাধ্যমেই পুজোর আবহে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল সৌরভের বায়োপিকের প্রচার।
মহারাজের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া ও পুষ্পাঞ্জলি
এ দিন মেরুন রঙের পাঞ্জাবি এবং ঘিয়ে রঙের ধুতি পরে নজর কাড়েন অভিনেতা রাজকুমার রাও। অন্যদিকে, গাঢ় নীল রঙের পাঞ্জাবি ও সাদা পায়জামায় লেন্সবন্দি হন খোদ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন সৌরভের স্ত্রী তথা বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ও। সূত্রের খবর, এদিন মহারাজের বাড়িতেই মহাসমারোহে পুষ্পাঞ্জলি দিয়েছেন রাজকুমার। শুধু তাই নয়, মহারাজ পরিবারের আতিথেয়তায় মজে ব্রেকফাস্টে লুচি ও আলুর তরকারিও উপভোগ করেছেন অভিনেতা।
“পুজো মানেই অন্যরকম অনুভূতি”
বহু বছর আগে স্ত্রী পত্রলেখার সঙ্গে কলকাতার দুর্গাপুজো দেখার অভিজ্ঞতা থাকলেও, এবার খাস কলকাতার পুজোয় সৌরভের সঙ্গে এই উপস্থিতি তাঁর কাছে একেবারেই আলাদা মাত্রা পেয়েছে। নিজের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে রাজকুমার জানান, এই অভিজ্ঞতা পুরোপুরি বাক্যাতীত। বাঙালির গর্ব ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকায় বড়পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে দিনরাত এক করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাজকুমার। আর পর্দার বাইরে ‘দাদা’কে নিজের শহরে ঘুরিয়ে দেখানোর সেই গুরুদায়িত্বও নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন খোদ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সবমিলিয়ে, বায়োপিকের প্রচার আর শারদোৎসবের মেজাজ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে টিনটিন থেকে শুরু করে টলিপাড়ায়।