ট্রেনের জরুরি কোটা, আবেদনের নতুন সময়সীমা জারি করল রেলমন্ত্রক

রেলযাত্রীদের সুবিধার্থে এবং টিকিট প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল করতে রেলমন্ত্রক এবার জরুরি কোটা (Emergency Quota বা EQ) বুকিংয়ের নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে। সম্প্রতি রিজার্ভেশন চার্ট তৈরির সময়সীমা পরিবর্তনের পর, এবার জরুরি কোটার জন্য অনুরোধ জমা দেওয়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর হবে।
কেন এই পরিবর্তন?
রেলমন্ত্রকের জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই পরিবর্তনের প্রধান লক্ষ্য হল শেষ মুহূর্তের বুকিংয়ের চাপ কমানো এবং বিশেষ প্রয়োজন থাকা যাত্রীদের জন্য টিকিট নিশ্চিত করার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা। এর আগে অনেক সময়ই দেখা যেত, ট্রেন ছাড়ার একেবারে শেষ মুহূর্তে জরুরি কোটার জন্য আবেদন আসত, যা পরিচালনা করা কঠিন ছিল। এই নতুন নিয়ম সেই সমস্যা সমাধানের জন্য আনা হয়েছে।
নতুন সময়সীমা কী?
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জরুরি কোটার জন্য অনুরোধ এখন থেকে যাত্রার আগের দিন জমা দিতে হবে। বিস্তারিত নিয়মাবলী নিচে দেওয়া হলো:
রাত ১২টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে ট্রেন: এই সময়ের মধ্যে যেসব ট্রেন ছাড়বে, সেগুলোর জন্য জরুরি কোটার আবেদন আগের দিন দুপুর ১২টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোটা সেলে পৌঁছাতে হবে।
দুপুর ১টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ট্রেন: এই সময়ের মধ্যে যেসব ট্রেন ছাড়বে, সেগুলোর জন্য জরুরি কোটার আবেদন আগের দিন দুপুর ১টার মধ্যে কোটা সেলে জমা দিতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ট্রেন ছাড়ার দিনে জমা পড়া কোনো জরুরি কোটার অনুরোধ আর গ্রহণ করা হবে না।
রিজার্ভেশন চার্ট তৈরির পূর্বের পরিবর্তন:
উল্লেখ্য, এর আগে ৮ জুলাই থেকে রেলমন্ত্রক রিজার্ভেশন চার্ট তৈরির সময়সূচিতেও পরিবর্তন এনেছিল। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভোর ৫টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে ছাড়ার ট্রেনের প্রথম চার্ট আগের দিন রাত ৯টার মধ্যে তৈরি করা হয়। একইভাবে, দুপুর ২টা থেকে রাত ১২টা এবং মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে ছাড়ার ট্রেনের জন্য চার্ট ৮ ঘণ্টা আগে তৈরি করা হয়।
রেলমন্ত্রকের এই দুটি পরিবর্তনই যাত্রী পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মগুলি জরুরি পরিস্থিতিতে টিকিট পেতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই, যাত্রার পরিকল্পনা করার সময় এই নতুন সময়সীমা মাথায় রাখা জরুরি।