গাড়ির গতি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নীতিন গড়করির! এবার কি গতি বাড়ালেও মিলবে ছাড়? আসল সত্য জানলে চমকে যাবেন

দেশের এক্সপ্রেসওয়েগুলিতে গাড়ি চালানো চালকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গড়করি। নির্দিষ্ট গতিসীমা অতিক্রম করার কারণে প্রায়শই চালকদের মোটা টাকার স্পিড চালান বা জরিমানা নোটিশ পেতে হয়। তবে এবার সেই বিষয়ে ট্রাফিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নমনীয় মনোভাব পোষণের ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে গাড়ি চালালে চালকদের যেন অনর্থক নোটিশ বা চালান না পাঠানো হয়।

কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ (CII)-এর এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ভারতের সড়ক ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের মতো আধুনিক সড়কগুলিতে নির্ধারিত গতিসীমা মেনে গাড়ি চালানো সত্ত্বেও অনেক সময় স্পিডিং চালান চলে আসছে চালকদের কাছে। এই বিষয়ে নজরে আসার পরই তিনি জানান, ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বা নির্দিষ্ট গতিসীমার চেয়ে প্রয়োজনে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি গতিতেও কিছুটা ছাড় রাখা উচিত এবং চালান কাটা বন্ধ করা প্রয়োজন।

তবে গড়করি এই মন্তব্য করলেও এটি কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও অফিসিয়াল বা আইনি স্পিড লিমিট পরিবর্তনের বিজ্ঞপ্তি নয়। অর্থাৎ এক্সপ্রেসওয়েগুলির সরকারি নির্দিষ্ট স্পিড লিমিটে এখনই সরাসরি আইনি বদল আনা হয়নি, তবে স্পিড ক্যামেরার ফাইন কাটার নিয়মে শিথিলতা আনার কথা বলেছেন তিনি।

গতির পাশাপাশি সড়ক সুরক্ষাকে নিশ্চিত করতে এবং দুর্ঘটনা কমাতে দেশের প্রতিটি এক্সপ্রেসওয়েতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত ‘অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (ATMS) চালুর উপর জোর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এর ফলে লেন ভাঙা বা অনিয়ন্ত্রিত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি সহজেই নজরে আসবে। এছাড়া এদিন ইথানল মিশ্রিত ই-২০ পেট্রল ব্যবহারের ইতিবাচক দিক নিয়েও বেশ কিছু মন্তব্য করেন তিনি।