কেকের প্রতি নেশা থেকে পেশা, সাগরের মামণি দাস এখন গ্রামের যুবক-যুবতীদের অনুপ্রেরণা

কেকের প্রতি তীব্র ভালোবাসা এবং নেশাকে পেশায় পরিণত করে সাগরের মামণি দাস এখন তাঁর গ্রামের অন্যান্য যুবক-যুবতীদের কাছে অনুপ্রেরণা। গঙ্গাসাগরের তেঘড়ি পাড়ার বাসিন্দা মামণি নিজে যেমন কেক খেতে ভালোবাসতেন, তেমনই দেশের অন্যান্য রাজ্যে তৈরি হওয়া কেকগুলি অনলাইনে দেখতেন এবং সেগুলো তৈরি করার চেষ্টা করতেন।

প্রথমদিকে বারবার ব্যর্থ হলেও তিনি দমে যাননি। একদিনের একটি অনলাইন কোর্স করে কেক তৈরির প্রাথমিক কৌশল শেখেন। এরপর বাড়িতেই শুরু করেন কেক তৈরি। এখন তিনি শুধু কেক তৈরিই করেন না, নতুন করে যারা এই উদ্যোগে আসতে চায়, তাদের প্রশিক্ষণও দেন।

‘কেক লাভার’ গ্রুপ তৈরি করে পথ দেখাচ্ছেন:

মামণি দাস গঙ্গাসাগরের যুবক-যুবতীদের কাছে এক আইকন হয়ে উঠেছেন। কেক তৈরি করতে আগ্রহীদের পরামর্শ দেওয়া থেকে শুরু করে নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানানো—সবকিছুতেই তিনি পাশে থাকেন। তিনি সাগরে একটি ‘কেক লাভার’ গ্রুপও তৈরি করেছেন, যেখানে অনেকেই যুক্ত হয়েছেন।

সামনেই বড়দিন-সহ একাধিক অনুষ্ঠান রয়েছে। সেখানে মামণির হাতে তৈরি কেকের চাহিদা এখন তুঙ্গে। তাঁর হাতে তৈরি কেকের সুন্দর স্বাদ ইতিমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে। মামণি জানান, তিনি প্রথমে একাই পথচলা শুরু করেছিলেন। তিনি মনে করেন, সমাজের পরিবর্তন তখনই সম্ভব, যখন সবাই নিজের পছন্দের জিনিসকে পেশায় পরিণত করবে।

নিজের কেকের এই কর্মকাণ্ডকে আরও বড় করতে চান তিনি। এই লক্ষ্যেই এখন নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাঁর এই সাফল্যে খুশি পরিবারের লোকজন এবং তাঁর সঙ্গে এখন অনেকেই যুক্ত হয়েছেন।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy