উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আইনি জটিলতা, বাদল অধিবেশনের আগে ভোটের সম্ভাবনা নেই

উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়-এর পদত্যাগের পর তাঁর উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলেও, আইনি জটিলতার কারণে সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হওয়ার আগে নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা নেই। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জগদীপ ধনখড়ের পদত্যাগের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে। এখন নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করার কথা।

সাধারণত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গেজেট নোটিফিকেশন পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারি করতে প্রায় দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে। এর কারণ হল, লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ তৈরি করা সময়সাপেক্ষ কাজ।

কমিশন যেদিন নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করবে, সেই দিন থেকে অন্তত ৩২ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়। এরপর একদিন স্ক্রুটিনি এবং দুই দিন মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য সময় দেওয়া হয়। এই পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ১৫ দিন পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এই সময়সীমা এবং জটিল প্রক্রিয়ার কারণে বাদল অধিবেশন চলাকালীন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক মহলের নজর এখন নির্বাচন কমিশনের দিকে, কবে তারা এই আইনি জটিলতা কাটিয়ে নতুন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর কবে নতুন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।