বড়পর্দা হোক বা সংসার— দুই ময়দানেই তিনি ‘কুইন’। ‘স্বার্থপর’ ছবির অভাবনীয় সাফল্যের পর এবার ফের গোয়েন্দা অবতারে ফিরছেন টলি-সুন্দরী কোয়েল মল্লিক। অরিন্দম শীলের পরিচালনায় আসন্ন বড়দিনে মুক্তি পেতে চলেছে ‘মিতিন একটি খুনির সন্ধানে’। এই ছবি এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা কথা নিয়ে টিভি-নাইন বাংলার মুখোমুখি হয়ে একগুচ্ছ মজাদার তথ্য শেয়ার করলেন অভিনেত্রী।
বাড়ির আসল গোয়েন্দা কে? পর্দায় মিতিন মাসি হয়ে অপরাধী ধরলেও, বাস্তবে কোয়েলের মতে তাঁর মা-ই সবথেকে বড় গোয়েন্দা। কোয়েলের কথায়, “মায়ের মধ্যে এক অদ্ভুত ইনটিউশন পাওয়ার আছে। গল্প করতে করতে মা হঠাৎই বলে দেন কার জীবনে সমস্যা চলছে। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় সত্যিই তাই! আত্মীয় থেকে বন্ধু— সবার খবর মায়ের নখদর্পণে।”
পাড়ার কাকিমা ও বাঙালির গোয়েন্দা-প্রীতি: বাঙালি কেন গোয়েন্দা গল্প এত পছন্দ করে? কোয়েলের মতে, পাড়ার কাকিমা-পিসিমাদের স্বভাবজাত কৌতূহল বা ‘গোয়েন্দাগিরি’ বাঙালির রক্তে আছে। হাসি মুখে তিনি জানান, “ওর সঙ্গে ওর কী হলো, কে কী করছে— পাড়ার কাকিমাদের এই নজরদারি বাঙালির মজ্জাগত। আর তাই ফেলুদা, ব্যোমকেশ বা মিতিন মাসি এত জনপ্রিয়।”
বাস্তবে গোয়েন্দা কোয়েল: নিজে কি গোয়েন্দাগিরি করেন? সাইকোলজির ছাত্রী কোয়েল জানালেন, মা হিসেবে ছেলে কবীরের ওপর তিনি কড়া নজর রাখেন। সারাদিন সে কী দুষ্টুমি করল বা লুকিয়ে চকোলেট খেল কি না, তার খুঁটিনাটি খবর নিতে তিনি গোয়েন্দার মতোই তৎপর।
বড়দিনের ধামাকা: ফেলুদা বা ব্যোমকেশ তাঁর প্রিয় হলেও, মহিলা গোয়েন্দাদের মধ্যে মিস মার্পলের অন্ধ ভক্ত কোয়েল। এবার বড়দিনে মিতিন মাসি রূপে তিনি দর্শকদের কতটা চমক দিতে পারেন, এখন সেটাই দেখার।
সম্পাদকের নোট: কোয়েল মল্লিক বরাবরই তাঁর ঘরোয়া ইমেজ এবং সাবলীল অভিনয়ের জন্য পরিচিত। মিতিন মাসি সিরিজে তাঁর প্রত্যাবর্তন বাংলা ছবির দর্শকদের জন্য এবারের বড়দিনের সেরা উপহার হতে চলেছে।