চন্দ্রকোনা রোড সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে রেলস্টেশনের দূরত্ব মাত্র দু’মিনিটের হাঁটা পথ। কিন্তু সেই ছোট্ট পথটাই আজ এলাকার হাজার হাজার নিত্যযাত্রীর জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বড় বড় গর্ত আর কাদা-ধুলোয় ভরা এই রাস্তা দিয়ে স্টেশনে পৌঁছতে এখন রীতিমতো যুদ্ধ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
ধুলোর তীব্রতা এতটাই যে নাকে-মুখে হাত চাপা দিয়ে চলতে বাধ্য হচ্ছেন যাত্রী, পড়ুয়া ও অফিসযাত্রীরা। বাধ্য হয়ে অনেকেই রেললাইন ধরে হাঁটছেন, যেখানে প্রতিক্ষণই রয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। সাধারণ যাত্রাপথ এখন যেন ‘ঝুঁকির সিঁড়ি’।
ভোগান্তির কারণ:
স্থানীয়দের মূল অভিযোগ, মালগাড়ি থেকে রেক সিস্টেমে ব্যবসার উদ্দেশ্যে বড় বড় ট্রাক ও লরি স্টেশন এলাকায় ঢোকে। এই ভারী যানবাহনের অতিরিক্ত চাপেই রাস্তাটি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই ট্রাক চলাচল রাস্তাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শ্যাম মুখার্জী বলেন, “এখন তো তবুও কোনও মতে যাতায়াত করা যাচ্ছে, তবে বর্ষা এলে রাস্তাটি পুকুর হয়ে যায়।”
জনগণের দাবি:
এলাকার মানুষের একটাই দাবি—যত দ্রুত সম্ভব এই রাস্তার সংস্কার করা হোক। তাঁরা বলছেন, “স্টেশনে যাওয়ার এই রাস্তাই হাজার মানুষের লাইফলাইন। কিন্তু দিনের পর দিন এই খারাপ অবস্থায় কারও নজর নেই। ছোটো বাচ্চা, পড়ুয়া, অফিসযাত্রী সবার জন্যই বিপদ। রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটা ছাড়া যেন আর পথই নেই।”
স্থানীয়রা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এখনই সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়া হলে যেকোনো দিন বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বাসিন্দাদের অনুরোধ, রেল দফতর, পঞ্চায়েত এবং প্রশাসন একসঙ্গে রাস্তাটি পরিদর্শন করে অবিলম্বে সংস্কারের পদক্ষেপ নিক। কারণ চন্দ্রকোনা রোড স্টেশন শুধু একটি যাতায়াত কেন্দ্র নয়, এটি বহু গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত।