নব্বইয়ের দশকের ক্রিকেটপ্রেমীরা কি ভুলতে পারেন সেই ঝাঁকড়া চুলের গতিদানবকে? ১৯৯৮ সালে শারজার মাঠে যাঁর বাউন্সারে আউট হয়ে থতমত খেয়ে গিয়েছিলেন খোদ সচিন তেন্ডুলকর। সেই হেনরি ওলোঙ্গা আজ ক্রিকেট মাঠ থেকে যোজন দূরে। জ়িম্বাবোয়ের সেই প্রাক্তন ফাস্টবোলার এখন জীবন বাঁচাতে অস্ট্রেলিয়ার বারে বারে গান গেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
এক প্রতিবাদ এবং ঘরছাড়া জীবন: ২০০৩ বিশ্বকাপ ছিল ওলোঙ্গার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। দেশের গণতন্ত্র রক্ষার দাবিতে সতীর্থ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের সঙ্গে হাতে কালো ফিতে বেঁধে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। তৎকালীন রবার্ট মুগাবে সরকারের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদের চরম মূল্য দিতে হয় তাঁকে। প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে রাতারাতি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন ওলোঙ্গা। আশ্রয় নেন অস্ট্রেলিয়ায়।
সঙ্গীতই এখন বাঁচার রসদ: ক্রিকেট যাঁর কেরিয়ার হওয়ার কথা ছিল, আজ গানই তাঁর আয়ের উৎস। গত ১০ বছর ধরে তিনি ক্রুজ শিপ, স্কুল এবং ছোট বারে গান গেয়ে সংসার চালাচ্ছেন। ওলোঙ্গা নিজেই স্বীকার করেছেন, এটা কোনো বড় গায়কের কেরিয়ারের শিখর নয়, কিন্তু এটাই তাঁর কঠোর বাস্তব। একসময়ের সচিন-আতঙ্ক আজ বিদেশের মাটিতে সুরের মূর্ছনায় খুঁজছেন দু-মুঠো অন্ন।