স্বাস্থ্যের পক্ষে হলুদের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে অনেকের অজানা, জানুন অবশই

একাধিক স্বাস্থ্যগুণের কারণে যুগ যুগ ধরে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্রে হলুদ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে অনেক রোগের চিকিত্সায় পথ্য হিসেবে চিকিৎসকেরা হলুদ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। হলুদের স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে অনেকেই কম-বেশি জানেন। কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে হলুদের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জানেন কি? আসুন জেনে নেওয়া যাক-

রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা : হলুদ রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। তাই যাদের রক্ত তঞ্চনে সমস্যা রয়েছে (সহজে রক্ত জমাট বাঁধতে চায় না), তাদের হলুদ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভাল।

ক্যালসিয়াম অক্সালেটের হজমে বাধা : হলুদ অনেক সময় ক্যালসিয়াম অক্সালেটের হজমে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই হজম না হওয়া ক্যালসিয়াম অক্সালেট জমে পরবর্তীকালে কিডনিতে পাথর সৃষ্টি করে।

ডায়েরিয়া-হজমের সমস্যা : দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত পরিমাণে হলুদ খেলে ডায়েরিয়া, হজমের সমস্যা, গা বমি বমি ভাবের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা : সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, হলুদ থেকে অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর ফলে ত্বকে র‌্যাশ দেখা দিতে পারে।

ওষুধের কাজে বাধা : সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গবেষণায় জানা গেছে, অতিরিক্ত মাত্রায় হলুদ খেলে তা নানা ধরনের ওষুধের কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিজ্ঞানীরা হলুদে থাকা কারকিউমিনকে অস্থায়ী, প্রতিক্রিয়াশীল যৌগ বলে ব্যখ্যা করেছেন। তাই, অ্যাসপিরিন, ওয়ারফারিন এবং কিছু স্টেরয়েডের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে হলুদ।

কেমোথেরাপির প্রভাব নষ্ট হতে পারে : অতিরিক্ত মাত্রায় হলুদ খেলে তা কেমোথেরাপির প্রভাব নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই যাদের কেমোথেরাপি চলছে, তাদের হলুদ না খাওয়াই ভাল।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy