বলিরেখার জন্য বুড়িয়ে যাচ্ছে ত্বক? ক্রিম নয়, ভরসা রাখুন এই ঘরোয়া টোটকায়

কিছু কিছু তেল রয়েছে যা ত্বকের জন্য খুব উপকারী। এর মধ্যে কোনওটি ত্বককে বলিরেখার হাত থেকে রক্ষা করে। কোনওটি আবার সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। কোনও কোনও তেল ত্বককে আর্দ্র করে। এমন কিছু প্রাকৃতিক তেলের সুলুকসন্ধান।

সূর্যমুখীর তেল

সূর্যমুখীর তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, এ, সি ও ডি। ত্বকের যে কোনও সমস্যা সমাধান করতে এর জুড়ি মেলা ভার। ত্বককে ময়শ্চরাইজ করতে এই তেল খুব সাহায্য করে। বলিরেখা দূর করতেও সূর্যমুখীর তেল যথেষ্ট উপকারী।

আমন্ড অয়েল

স্বাস্থ্য ও ত্বক, দুটির জন্যই আমন্ডের তেল উপকারী। ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে এই তেল রক্ষা করে। এই তেল খুব হালকা হয়। চোখের নিচে ফোলা ভাব দূর করতেও এই তেল কাজে লাগে।

নারকেল তেল

এটি স্বাভাবিক ময়শ্চরাইজার। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে নারকেল তেল।

ডালিমের তেল

ডালিম খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। পিউনিক অ্যাসিড, ফোলেট, পটাশিয়ামের মতো উপাদান থাকে এই ফলের তেলে। এছাড়া থাকে ভিটামিন কে, সি ও বি৬। এই তেল স্বাভাবিক ময়শ্চরাইজার ও ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকে চকচকে ভাব ফিরে আসে।

অলিভ অয়েল

এই তেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য এই তেলের কোনও বিকল্প নেই। বলিরেখা কমাতেও সাহায্য করে এই তেল।

সজনে তেল

বুড়িয়ে যাওয়া ত্বককে চাঙ্গা করতে সবচেয়ে উপকারী সজনে তেল। এতে থাকে অ্যান্টি-এজিং উপাদান। সজনের বীজ থেকে তৈরি হয় এই তেল।

মারুলা তেল

এটি মারুলা নামে এক ধরনের গাছের ফল থেকে তৈরি। আফ্রিকা, মাদাগাস্কারের মতো জায়গায় এই ফল পাওয়া যায়। এই ফল থেকে তৈরি হওয়া তেলে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৬ ও ওমেগা ৯ থাকে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে এই তেল। যে কোনও রকম ত্বকে এই তেল ব্যবহার করা যায়। কোনও জায়গা পুড়ে গেলে বা কেটে গেলে এই তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy