গর্ভধারণের অন্তত তিন মাস আগে প্রিকনসেপশনাল কাউন্সেলিং শুরু করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কারণ উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরয়েডের মতো রোগ অনিয়ন্ত্রিত থাকলে গর্ভপাত হতে পারে। সুতরাং এই রোগ হবু মায়ের থাকলে গর্ভাবস্থায় শিশু মারা যেতে পারে, ওজন কম বা বেশি হতে পারে, শিশুর বুদ্ধি বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এমনকি জন্মের সময় ও পরবর্তীকালে অনেক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এসব ঝুঁকি শনাক্তের পর যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণের পরই গর্ভধারণ করা।
গর্ভধারণের এক মাস আগে থেকে এবং গর্ভধারণের তিন মাস পর্যন্ত প্রতিদিন ৪ মিলিগ্রাম করে ফলিক অ্যাসিড খেতে হবে। এটি শিশুর জন্মগত ত্রুটি হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
মায়ের অতিরিক্ত ওজন, কম ওজন, রক্তশূন্যতা এগুলো ঠিক করে এরপর গর্ভধারণ করা উচিত।
কেউ যদি আগে থেকে ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, খিঁচুনি, ঘুম বা মানসিক সমস্যা, থাইরয়েড ইত্যাদি রোগের ওষুধ সেবন করে থাকেন, তাহলে তা অব্যাহত রাখবেন কি না, তা জেনে নিতে হবে।
গর্ভধারণের যে ভয় বা উৎকণ্ঠা থাকে, তা কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে দূর করুন।
মন উৎফুল্ল রাখতে হবে। ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। যোগ ব্যায়াম করতে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন।
পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করতে হবে।